
চট্টগ্রাম সংবাদাতা
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ কেবল সামুদ্রিক সচেতনতা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতেই চায় না, বরং এতে সেরা সাফল্য অর্জন করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান
আজ রোববার শহীদ ফজলুর রহমান মুন্সি অডিটোরিয়ামে ইউ ক্রিমারিও প্রজেক্ট মার্কো৩ ফান্ডামেন্টালস উদ্বোধনকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের তথ্য আদান-প্রদান ব্যবস্থা (IORIS প্ল্যাটফর্ম) ব্যবহারের মাধ্যমে বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে রিয়েল-টাইম তথ্য বিনিময় এবং সমন্বয় বাড়ানো। ইউ ক্রিমারিও মার্কো৩ প্রজেক্ট কর্তৃক ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষকে বাংলাদেশের ন্যাশনাল ফোকাল সংস্থা হিসেবে নির্বাচিত করেছে।
বন্দর চেয়ারম্যান বলেন, বাংলাদেশের ৯০ শতাংশের বেশি বৈদেশিক বাণিজ্য চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়, তাই চট্টগ্রাম বন্দরের নিরাপত্তা ও কার্যক্ষমতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। এই আয়োজন একটি দায়িত্বশীল অংশীদার হিসেবে চট্টগ্রাম বন্দরের ক্রমবর্ধমান ভূমিকার প্রতিফলন।
ইউ এর ক্রিমারিও প্রকল্পের অংশ হিসেবে এ কোর্সটি পরিচালনা করছেন দক্ষিণ এশিয়া ও তানজানিয়ার প্রতিনিধি বিয়র্ন বেইরেন্স। বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রশিক্ষণার্থীরা এ কোর্সে অংশ নিচ্ছেন।
পাঁচ দিনের এই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীরা মূলত সামুদ্রিক সচেতনতার মৌলিক ধারণা এবং আইএমও কোডসমূহ, IORIS প্ল্যাটফর্মে ‘ফাইভ ডব্লিউ’ ফ্রেমওয়ার্ক ব্যবহার করে রিপোর্টিং তৈরি, সংস্থাগুলোর মধ্যে তাৎক্ষণিক বার্তা এবং সতর্কতা আদান-প্রদান, এআইএস এবং স্কাইলাইট ডেটা লেয়ারের ব্যবহারিক প্রয়োগসহ নানা বিষয়ে জ্ঞান লাভ করবে। এই কোর্স সফলভাবে সম্পন্নকারী অংশগ্রহণকারীরা ইউ ক্রিমারিও সনদ পাবেন।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এই আয়োজনের জন্য ইন্টারনেট, কম্পিউটার এবং প্রয়োজনীয় সব কারিগরি সুবিধা দিচ্ছে।
কোর্সটির সার্বিক সমন্বয় করছেন বন্দরের সদস্য ও IORIS ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা কমোডর আহমেদ আমিন আবদুল্লাহ এবং চবক এর IORIS সেল এর ওআইসি সহকারী হারবার মাস্টার ক্যাপ্টেন আসিফ আহমেদ।