
ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর প্রতিনিধি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় এক মাদরাসা পরিচালকের বিরুদ্ধে এক নারীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত পরিচালককে গ্রেপ্তার করেছে নবীনগর থানা পুলিশ। শনিবার ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার জিনোদপুর এলাকায় অবস্থিত একটি মাদরাসায় পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন স্থানীয় মেরকুটা গ্রামের বাসিন্দা তোফাজ্জল হোসেন (৩০)। অভিযোগ রয়েছে, শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে এক নারী তার মাদরাসায় অধ্যয়নরত সন্তানকে দেখতে সেখানে যান। পরে তিনি মাদরাসার ওয়েটিং রুমে অপেক্ষা করছিলেন।
এ সময় অভিযুক্ত পরিচালক ওই কক্ষে প্রবেশ করে নারীকে একা পেয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। পরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে নবীনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিয়াস বসাক এবং নবীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোরশেদ আলম চৌধুরীর নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
তবে ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন দাবি করেছেন, পুরো ঘটনাটি পরিকল্পিত হতে পারে এবং ব্যক্তিগত বিরোধের জের ধরে অভিযুক্তকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে নবীনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিয়াস বসাক ও ওসি মোরশেদ আলম চৌধুরীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নবীনগর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) রাজীব কান্তি নাথ বলেন, “ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি ষড়যন্ত্র কি না, তা তদন্ত ও আদালতের মাধ্যমেই নিশ্চিত হওয়া যাবে।”