
টেকনাফ (কক্সবাজার) সংবাদদাতা
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে বিভিন্ন ধরনের অপরাধ। হত্যা, অপহরণ, ডাকাতি, চুরি, মাদক কারবার, অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার, মানবপাচার ও নারী ধর্ষণের মতো গুরুতর অপরাধ বৃদ্ধি পাওয়ায় চরম উদ্বেগ ও আতঙ্কে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিশেষ করে সীমান্তবর্তী ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকাগুলোতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে। অপরাধীদের দৌরাত্ম্যে সাধারণ মানুষ নিরাপদে চলাফেরা করতে পারছেন না। অনেক ক্ষেত্রে রাতের অন্ধকারে সংঘটিত হচ্ছে অপহরণ ও ডাকাতির মতো ঘটনা, যা স্থানীয়দের মধ্যে ভীতি ছড়িয়ে দিচ্ছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, মাদক ব্যবসা ও মানবপাচার চক্রের সক্রিয়তার কারণে এসব অপরাধ আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিয়েও দেখা দিয়েছে গভীর উদ্বেগ। বিভিন্ন সময় ধর্ষণ ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটলেও অনেক ভুক্তভোগী ভয়ে প্রকাশ্যে অভিযোগ করতে পারছেন না।
একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, “আমরা এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল জোরদার ও কঠোর ব্যবস্থা ছাড়া এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়।”
এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে সচেতন মহল মনে করছে, টেকনাফের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে সমন্বিত উদ্যোগ, গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি এবং সীমান্ত এলাকায় কঠোর নিয়ন্ত্রণ জরুরি হয়ে পড়েছে।