
বাগেরহাট শরনখোলা সংবাদদাতা
ইংল্যান্ড মাস্টার সার্টিফিকেট ছাড়াই চট্টগ্রাম বন্দরের ইমাম হোসেন'কে নিয়োগ প্রদান করেছেন
২০১৭ সালে ৩য় শ্রেণীর ইনল্যান্ড মাস্টার যোগ্যতা সনদপত্র না থাকার সত্ত্বেও সরাসরি নিয়োগ এবং ২য় শ্রেণীর ইনল্যান্ড মাস্টার যোগ্যতা সনদ না থাকার সত্ত্বেও চীফ পারসোনেল অফিসার, চবক এর দপ্তরাদেশ নং- ৭৩/২০২৫ তারিখ- ২৯/০৯/২০২৫ইং চীফ পারসোনেল অফিসার স্বাক্ষরিত পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। স্মারক নং- ১৮.১৭.০০০০.০০০.০১৯.২৮.০০০১.২২.১ তারিখ- ০৬/০১/২০২৬ইং স্পেশাল অফিসার মেরিন সেফটি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (সমগ্র বাংলাদেশ) স্বাক্ষরিত তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ মোতাবেক ০১ পাতা তথ্য দেই। উক্ত কাগজে দেখা যায় সম্পূর্ণ ভুয়া, মিথ্যা ও বানোয়াট। উক্ত অফিসারের মৌখিক পরামর্শে মহা-পরিচালক, নৌ-পরিবহন অধিদপ্তর, এফ-১২/সি-১, আগারগাঁর, শেরেবাংলা নগর, ঢাকা-১২০৭, ঢাকা ইমাম হোসেন এর ১ম শ্রেণীর ইনল্যান্ড মাস্টার যোগ্যতা সনদ (যার নং- ওগ১ ২৪৫৫, উর্ত্তীণের তাং- ০৮/১২/২০১৬ইং, জারির তাং- ০১/০৩/২০১৭ইং) জাল জালিয়াতি করে ১ম শ্রেণীর ইনল্যান্ড মাস্টার পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করায় উক্ত যোগ্যতা সনদ বাতিল করার আবেদন।
ইমাম হোসেন এর ৩য় শ্রেণীর ইনল্যান্ড মাস্টার যোগ্যতা সনদ না থাকা সত্তেও তাকে গত ২০১৭ সালে সরাসরি ৩য় শ্রেণীর ইনল্যান্ড মাস্টার পদে সরাসরি নিয়োগ দিয়েছে। শুধুমাত্র তার নিকটতম আত্বীয় হারবার মাস্টার জহিরুল ইসলাম উক্ত নিয়োগ বোর্ডে আহ্বায়ক থাকার কারণে এটা সম্ভব হয়েছে। এবং উক্ত ব্যক্তি ২য় শ্রেণীর ইনল্যান্ড মাস্টার যোগ্যতা সনদ না থাকার সত্ত্বেও তাকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ২৯/০৯/২০২৫ইং তারিখে ২য় শ্রেণী ইনল্যান্ড মাস্টার পদে পদোন্নতি দিয়েছে। এছাড়াও উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মহাপরিচালক সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তরে ১ম শ্রেণীর ইনল্যান্ড মাস্টার যোগ্যতা সনদ বাতিলের জন্য অভিযোগ দাখিল হয়েছে, যার তারিখ- ১৮/০১/২০২৬ইং।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পরিচালক প্রসাশন চট্টগ্রাম বন্দর মোঃ ওমর ফারুকের কাছে তার ফোনটি রিসিভ হচ্ছে না।
জানতে চাইলে অভিযুক্ত ইমাম হোসেনের কাছে তিনি বলেন আমি এর সাথে সম্পৃক্ত নয়।তবে আইনের কাছে দোষী হলে শাস্তি মাথা পেতে নেব।
আরো বলেন ইমাম হোসেন চোরকে যদি ধরে চুরির কথা জিজ্ঞাসা করা হয় । ভচোর কখনও চুরির কথা বলেনা।