
পোরশা (নওগাঁ) প্রতিনিধি
জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে নওগাঁর পোরশা উপজেলায় উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক, প্রতিষ্ঠান প্রধান ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহকে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল ১১টায় পোরশা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নির্বাচিত শিক্ষক, প্রতিষ্ঠান প্রধান ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পোরশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাকিবুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শামসুল কবির এবং একাডেমিক সুপারভাইজার কনক রায়।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পোরশা উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি ডি এম রাসেদ, সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুল মান্নান ,সাধারণ সম্পাদক মোঃ শহিদুল ইসলাম,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কোষাধ্যক্ষ তোফাজ্জল হোসেনসহ প্রেস ক্লাবের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও গণমাধ্যমকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা পর্যায়ে বিদ্যালয়, মাদ্রাসা ও কারিগরি—এই তিন বিভাগে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক, শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান এবং শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করা হয়।
বিদ্যালয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক নির্বাচিত হন গাংগুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ ইসমাইল হোসেন। শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিত হন ঘাটনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ সাইদুর রহমান এবং শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচিত হয় শিশা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়।
মাদ্রাসা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক নির্বাচিত হন পলাশবাড়ী চাচাই বাড়ি কামিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মোঃ আতাউর রহমান। শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিত হন মোঃ আব্দুল করিম, নিতপুর মহিলা আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এবং শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচিত হয় পলাশবাড়ী চাচাই বাড়ি কামিল মাদ্রাসা।
কারিগরি পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক নির্বাচিত হন কড়িদহ টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের প্রভাষক মোঃ আজাদুল ইসলাম। একই প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মোঃ রফিকুল ইসলাম শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিত হন এবং প্রতিষ্ঠানটিই শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি অর্জন করে।
বক্তারা বলেন, জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহের এ ধরনের স্বীকৃতি শিক্ষকদের কর্মস্পৃহা বৃদ্ধি করবে এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষাক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রতিযোগিতার পরিবেশ সৃষ্টি করবে এবং শিক্ষকদের আরও সৃজনশীল ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনে উৎসাহিত করবে।
অনুষ্ঠানের শেষে সম্মাননা প্রাপ্তদের অভিনন্দন জানানো হয় এবং শিক্ষাক্ষেত্রে তাদের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করা হয়।