
সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি
নওগাঁর সাপাহারে এসএসএস ও সমকুল দালি পরীক্ষায় একটি মাদ্রাসা থেকে অংশ নেওয়া ১৩ জন পরীক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারে। প্রতিষ্ঠানটি ১৫ জন শিক্ষক ও পাঁচজন সদস্য কর্মরত থাকার পরও এমন ফলাফল নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
নির্বাচনী বছর দাখিল পরীক্ষায় কল্পনার্থক নিমুদ্দিন সরকার দাল মাদ্রাসা থেকে ১৩ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। পরীক্ষা ফলাফলে দেখা যায়, তাদের একজনও উত্তীর্ণ হতে পারে। প্রতিষ্ঠানের পাসের হার হয়েছে শূন্য শতাংশে।
মা পাঁচ জন ছাত্র ও পাঁচজন চারজন কর্মরত আসন। শিক্ষক- নেতার এমন উপস্থিতির পরও কোনো পরীক্ষার্থী পাস না করা প্রতিষ্ঠানের পাঠদান, উপস্থিতি ও সার্বিক শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন দেখা।
এ বিষয়ে মাদ্রাসার সুপার আতাউল্লাহ বলেন, “করোনা দুর্যোগের কারণে পরিবারগুলো অসচ্ছল হয়ে পড়েছে।
মিডিয়াক শিক্ষা শামসুল কবীর বলেন, “এ বিষয়ে আমাদের কোনো কথা নেই। তবে এটা দুঃখজনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত।
মধ্যবর্তী সময়ে, মিডিয়া শিক্ষা অফিসের মাধ্যমে পাওয়া যায়, সাপাহার কংগ্রেস জানাতে আরও মাদ্রাসায় দাখিল ফলাফল হতাশাজনক হয়েছে। এর মধ্যে মানিকুড়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করেছে মাত্র একজন। দেওপাড়া শিংপাড়া মাদ্রাসা থেকে ১২ একজনের মধ্যে, রসুলপুর দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৫ তার মধ্যে একজন এবং ইসলামপুর দাল মাদ্রাসা থেকে ১৮ একজনের মধ্যে পরীক্ষার্থী পাস করেছে। আরও মরাডাঙ্গা ময়নাকুড়ি আলিম মাদ্রাসা থেকে ২৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করেছে মাত্র একজন।
জাতির বিভিন্ন মাদ্রাসা থেকে মোট ৮৩৩ জন দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিন। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ২৮৩ জন। পাসের হার ৩৩.৯৭ শতাংশ। মাদ্রাসাগুলো থেকে জিএ-৫ উপজেলা উপজেলায় এক দুইজন সদস্য।
তথ্য মাদ্রাসায় পরীক্ষার্থীদের এমন ফলাফল নিয়ে স্থানীয় অভিভাবক ও ধারণা মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। শিক্ষার মানোন্নয়ন, পাঠদান, উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং সক্রিয় আগে সক্রিয় একাডেমিকের উপর গুরুত্বের অধিকার তারা।