
ডেস্ক রিপোর্টঃ
মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট বা এসএসসি পরীক্ষার-২৬ সালের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, নওগাঁ শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজ। জেলায় শীর্ষ অবস্থান এবং প্রতিষ্ঠার পর এমন ফলাফল আগে কখনো করতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। এমন ভালো ফলাফল করার বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে ২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ফুল এবং মিস্টি খাইয়ে অভিনন্দন জানায় প্রতিষ্ঠানটি।
২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় এ বছর প্রতিষ্ঠানটি থেকে সর্বমোট ১২৮ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ১২৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে—যার সার্বিক পাসের হার ৯৮.৪৪%। উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৭৪ জন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ ফলাফল জিপিএ-৫.০০ (A+), ৩৯ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৪.০০, ১১ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৩.৫০ এবং ২ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৩.০০ পেয়েছে।
এই ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, জেলার সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চেয়ে শীর্ষে রয়েছে এবার বিয়াম ল্যাবরোটরি স্কুল এন্ড কলেজ নওগাঁ। এত ভালো ফলাফল করায় খুশি প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকরা। শিক্ষকরা বলছেন পড়াশোনার পাশাপাশি সহশিক্ষা এবং শৃঙ্খলাকে প্রাধান্য দেওয়ায় শিক্ষার্থীরা এমন ভালো ফলাফল করতে পেরেছে।
এবারের এসএসসি পরীক্ষায় বিদ্যালয়টি থাকে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী আফিফ আইয়ান বলেন,বছরের শুরুতেই শিক্ষকরা আমাদেরকে বলে দিতেন আমরা এই এই জায়গায় দুর্বল, তখন তারা সেই বিষয়গুলোতে আমাদেরকে হেল্প করতেন। তখন বিষয়গুলো বুঝা আমাদের জন্য সহজ হয়ে যেত। যার কারণে আমরা অনেক ভাল ফলাফল করতে পেরেছি।
বিদ্যালয়টির আরেক শিক্ষার্থী সাবাতুন সাওদা বলেন,আমাদের স্কুলে নিয়মিত ক্লাস হয়। শিক্ষকরা আমাদের বিষয়ে অনেক বেশি মনোযোগী। আমরা কখনো খারাপ রেজাল্ট করলে তারা আমাদেরকে বুঝায় এই জায়গাটাতে ভালো করলে তোমার রেজাল্ট ভালো হবে। যার কারণে বিয়াম এবার জেলায় শীর্ষস্থান দখল করেছে।
প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ শরিফুর রহমান বলেন, ২০ বছরের এ যাত্রায় এবারেই প্রথম আমরা জেলার শীর্ষে অবস্থান করছি। আমরা নিয়মিত শ্রেণী কার্যক্রম এবং শৃঙ্খলাকে প্রাধান্য দিয়েছি। যার কারণে আমাদের শিক্ষার্থীরা এমন ভালো ফলাফল করতে পেরেছে। আমি মনে করি কোন প্রতিষ্ঠান যদি শ্রীনি কার্যক্রম এবং শৃংঙ্খলার বিষয়ে মনোযোগী হয় তাহলে সেই প্রতিষ্ঠান অনেক ভালো ফলাফল করতে পারবে।
প্রসঙ্গত, এবারের এসএসসি পরীক্ষায় নওগাঁ জেলা থেকে ২১ হাজার ২৫৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন এবং তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ১৩ হাজার ২৮৪ জন। জেলা এবার গড় পাশের হার ৬২ দশমিক ৪৯ শতাংশ। এছাড়া মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১হাজার ৭৩০ জন।