
ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি
নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে রাতের আঁধারে ককটেল বিস্ফোরণ এর ঘটনা ঘটেছে। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় দলীয় অফিসের পূর্বপাশে অবস্থিত পৌর ছাত্রদলের অস্থায়ী অফিসকে লক্ষ করে বেশ কয়েকটি ককটেল ছুড়ে মারা হয়। তবে এ ঘটনায় কোন হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সেখান থেকে অবিস্ফোরিত তিনটি কালোটেপ মোড়ানো ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার করা হয়। এগুলো মূলত ককটেল না ফটকা হতে পারে বলে জানিয়েছেন ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিন্টু রহমান। তবে উপজেলার সদর এলাকায় এমন ঘটনায় থানা পুলিশের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন স্থানীয়রা।
জিয়া সাইবার ফোর্স এর ফয়সাল আহমেদ জানান, আমরা গত রাত সাড়ে ১১টায় অফিস বন্ধ করে পাশে একটি দোকানে ক্যারামবোর্ড খেলছিলাম। কিছুপরে বিএনপি অফিসের দিক থেকে বিকট আওয়াজ শোনা যায়। পরে আমরা শব্দ শুনে দৌড়ে এসে দেখি কয়েকজন মোটরসাইকেল যোগে এসে বিএনপি অফিস সংলগ্ন আমাদের অফিসের নিকট ২—৩টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. হানজালা বলেন, আমরা মনে করছি এ ঘটনাটি ফ্যাসিবাদ সরকারের লোকজন উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে ঘটিয়েছে। আমরা রাজনৈতিক ভাবে খুব দ্রুত এ ঘটনার কার্যকরি প্রদক্ষেপ গ্রহণ করব। আগামিতে এমন ঘটনা যেন কেহ না ঘটাতে পারে সেদিকে আমাদের দলীয় নেতাকর্মীরা সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম কবির মিল্টন জানান, আগামি ২৪ ঘন্টার মধ্যে এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় না আনা হলে আমরা দলীয় ভাবে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
বাজার নিরাপত্তা প্রহরী মো. হারুন জানান, ঘটনায় সময়ে আমি একটু সামনে অবস্থান করছিলাম। শব্দ পেয়ে এসে দেখি বেশ কয়েকটি ককটেল অফিসের সামনে পড়ে রয়েছিল। মোটরসাইকেল যোগে কয়েকজন রাস্তার বিপরিত দিক থেকে ককটেলগুলো ছুড়ে তারা পালিয়ে যায়।
ধামইরহাট থানার ওসি মিন্টু রহমান জানান, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে কালোটেপ মোড়ানো তিনটি ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার করেছি। তার ওপরে লেখা রয়েছিল সাবধান। তবে এগুলো ককটেল নয় এগুলো মূলত ফটকা হতে পারে। উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে হয়তো কেহ এগুলো করছে। এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।