
ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ
নওগাঁর ধামইরহাটে বাড়ির সীমানাপ্রাচীর নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের জেরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নাইচ বেগম (১৮) নামে একজন গৃহবধূ গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি রাজশাহী মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার দূর্গাপুর নামক এলাকায়। এঘটনায় ৪জনের নামে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলো- নাজি হোসেনের দুই ছেলে জালাল হোসেন, সোস্তাফিজুর রহমান, ও স্ত্রী সালেহা বেগম ও পুত্রবধূ শায়লা বেগম।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দূর্গাপুর এলাকার বেলাল হোসেন ও নাজি হোসেনের সঙ্গে বেশ কিছুদিন ধরে জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ে পারিবারিক দ্বন্দ্ব চলছিল। এর মধ্যে ওই জমিতে গত শুক্রবার সকালে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ চলছিল। এ সময় প্রাচীর নির্মাণের স্থান ও সীমানা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষে অভিযুক্ত জালাল হোসেন ইট দিয়ে নাইচ বেগমের মাথায় আঘাত করে। পরে সে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা করান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজশাহী মেডিকেলে ভর্তি করানো হয়। পরে নাইচ বেগমের মা হেলেনা বেগম বাদি হয়ে থানায় চারজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এ বিষয়ে বেলাল হোসেন বলেন, আমাদের যায়গার ওপরে প্রাচির নির্মাণ করেন আমার ভাতিজা জালাল হোসেন। আমি ও আমার পুত্রবধু নাইচ বাঁধা দিতে গেলে তারা আমার পুত্রবধুকে ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করেন। বর্তমানে সে গুরতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আমি প্রশাসনের নিকট এর সুষ্ট বিচার চাই।
অভিযুক্ত জালাল হোসেন জানান, আমরা আমাদের নিজস্ব যায়গার ওপরে প্রাচির নির্মাণ কাজ করছিলাম। কিন্তু তারা আমাদের কাজে বাঁধা দিয়েছে এবং আমার মা সালেহা বেগমকে নাইচ প্রথমে মারধর করেন।
ধামইরহাট থানার ওসি মিন্টু রহমান বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। “ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে”। তদন্ত শেষে ঘটনায় জড়িত দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।