
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য নতুন নিষেধাজ্ঞা নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই সপ্তাহের শুরুতে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম কমেছে। সোমবার এশিয়ার বাজারে ব্রেন্ট ও ডব্লিউটিআই—দুই ধরনের তেলের দামই নিম্নমুখী ছিল।
সোমবার (২৪ আগস্ট) সকালে এশিয়ার প্রাথমিক লেনদেনে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ১ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৩ দশমিক ৪৫ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআইয়ের দাম কমে দাঁড়ায় ৮৬ দশমিক ১৪ ডলারে।
এর আগে শুক্রবার দিনের লেনদেন শেষে ব্রেন্টের দাম ছিল ৯৪ দশমিক ৩৯ ডলার এবং ডব্লিউটিআইয়ের দাম ছিল ৮৭ দশমিক ০৬ ডলার। ফলে সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসেই দুই বাজারে দরপতন দেখা গেল।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে বড় ধরনের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারে—এমন আশঙ্কা গত সপ্তাহে তেলের বাজারে দাম বাড়ার অন্যতম কারণ ছিল। তবে সোমবার বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞার প্রভাব নিয়ে নতুন করে মূল্যায়ন শুরু হওয়ায় তেলের দামে কিছুটা চাপ তৈরি হয়েছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ইরানবিরোধী বড় ধরনের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে। নিষেধাজ্ঞার আওতা ও বাস্তব প্রভাব স্পষ্ট হলে আন্তর্জাতিক তেলবাজারে এর প্রতিক্রিয়াও আরও পরিষ্কার হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, নতুন নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের তেল রপ্তানি ব্যাহত হলে বিশ্ববাজারে সরবরাহ নিয়ে চাপ তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালিতে তেল পরিবহন নিয়ে কোনো ধরনের অনিশ্চয়তা দেখা দিলে আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও তীব্র অস্থিরতা তৈরি হতে পারে।