
বরেন্দ্রকণ্ঠ নিউজ
রপ্তানি বাজারে নির্দিষ্ট কয়েকটি দেশের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে জাপানে তৈরি পোশাক রপ্তানি বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছেন বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের উদ্যোক্তারা। তবে জাপানের বাজারে আরও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরি করতে পণ্য পরিবহনের সময় ও ব্যয় কমানোকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন তারা।
রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ ভবনে বুধবার বিশেষায়িত ‘জাপান ডেস্ক’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ বিষয়ে কথা বলেন বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদুল হাসান। তিনি বলেন, ভৌগোলিক দূরত্বের কারণে বাংলাদেশের পোশাক জাপানের বাজারে পৌঁছাতে চীন, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার তুলনায় বেশি সময় নেয়। ফলে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছে দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ে।
তিনি বলেন, জাপানের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের উপস্থিতি বাড়াতে হলে পরিবহন সময় কমানোর পাশাপাশি লজিস্টিকস ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রয়োজন। এ জন্য পরিবহন ব্যয় কমানো, সরাসরি শিপিং সুবিধা বাড়ানো এবং কার্যকর লজিস্টিকস সংযোগ তৈরিতে জাপান সরকারের সহযোগিতা চান তিনি।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপানের রাষ্ট্রদূত। তিনি বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন। একই সঙ্গে দুই দেশের বাণিজ্যিক যোগাযোগ সহজ করতে জাপান সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করবে বলে আশ্বাস দেন।
বিজিএমইএর ‘জাপান ডেস্ক’ চালুর ফলে জাপানের বাজারসংক্রান্ত তথ্য, ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিকারকেরা আরও সমন্বিত সহায়তা পাবেন বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে নতুন বাজার সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে জাপানকে সম্ভাবনাময় গন্তব্য হিসেবে দেখছেন উদ্যোক্তারা। তবে সেই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সরবরাহ ব্যবস্থার দক্ষতা বাড়ানো এবং পণ্য দ্রুত জাপানের বাজারে পৌঁছে দেওয়ার সক্ষমতা তৈরি করাকেই এখন গুরুত্ব দিচ্ছেন তারা।