
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ভারতের উত্তরপ্রদেশে আগ্রার চম্বল নদীতে নিজের ১৮ বছর বয়সী মেয়েকে ডুবিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক বাবার বিরুদ্ধে। বিয়ের আগে মেয়ের গর্ভধারণের খবর জানার পর সামাজিক লজ্জার ভয়ে তিনি এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন বলে পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।
ঘটনার পর মেয়ের নিখোঁজ হওয়ার নাটক সাজিয়ে বিষয়টি আড়াল করার চেষ্টা করেন অভিযুক্ত বাবা লাখপত সিং। শুক্রবার (৭ আগস্ট) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, দিল্লির তিগরি এলাকায় পরিবারের সঙ্গে বসবাস করতেন ৫২ বছর বয়সী লাখপত সিং। মেয়ের গর্ভধারণের বিষয়টি জানতে পেরে তিনি তাকে চিকিৎসার কথা বলে উত্তরপ্রদেশের আগ্রার গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেন।
তদন্তে জানা গেছে, গত ২৯ জুলাই এক আত্মীয়কে সঙ্গে নিয়ে মেয়েকে আগ্রার বাসাউনি এলাকার চম্বল নদীর তীরে নিয়ে যান তিনি। সেখানে পরিকল্পনা অনুযায়ী তাকে নদীতে ডুবিয়ে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ।
পুলিশের দাবি, ঘটনার সময় ছবি ও ভিডিও ধারণ করা হয়েছিল। পরে দিল্লিতে ফিরে এসে মেয়ের নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ করেন লাখপত সিং। তবে তদন্তে তার বক্তব্যে অসঙ্গতি ধরা পড়লে সন্দেহের সৃষ্টি হয়।
জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে পুলিশ লাখপত সিং ও তার সহযোগী আত্মীয়কে গ্রেপ্তার করে। তাদের আগ্রায় নিয়ে গিয়ে ঘটনার বিষয়ে আরও তদন্ত চালানো হচ্ছে।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহত তরুণীর মরদেহ এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। চম্বল নদীতে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।