
আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
গাজা সিটিতে একটি পুলিশ সদর দপ্তরে ইসরাইলি বিমান হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২০ জন।
বুধবার (১৯ আগস্ট) হামলার পর নিহতদের মরদেহ গাজা সিটির আল-শিফা হাসপাতালে নেওয়া হয় বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। গাজার সিভিল ডিফেন্সও নিহতের সংখ্যা ৯ বলে নিশ্চিত করেছে।
ইসরাইলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, গাজা সিটির পুলিশ সদর দপ্তরে অবস্থানরত হামাসের এক কমান্ডারকে লক্ষ্য করে হামলাটি চালানো হয়। তাদের দাবি, ওই কমান্ডার ইসরাইলি সেনাদের বিরুদ্ধে হামলার পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
তবে হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তার অভিযোগ, এটি যুদ্ধবিরতির আহ্বান ও প্রচেষ্টার প্রতি ইসরাইলের অবজ্ঞারই প্রকাশ।
২০২৫ সালের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলেও গাজায় সহিংসতা পুরোপুরি থামেনি। নতুন এই হামলা সেই যুদ্ধবিরতির কার্যকারিতা নিয়েও আবার প্রশ্ন তুলেছে।
এদিকে গাজায় ইসরাইলি হামলার প্রসঙ্গে আলোচনায় এসেছে পাঁচ বছর বয়সী ফিলিস্তিনি শিশু হিন্দ রাজাবের মৃত্যুর ঘটনাও। একটি গাড়িতে হামলার ঘটনায় ইসরাইলি সামরিক বাহিনী গুলি চালানোর কথা স্বীকার করেছে। স্বাধীন ফরেনসিক তদন্তে ওই গাড়িতে ৩৫৫টি গুলি ছোড়ার আলামত পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
গাজায় নতুন করে প্রাণহানির ঘটনায় বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা এবং যুদ্ধবিরতি কার্যকর রাখার বিষয়টি আরও একবার আন্তর্জাতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে।