
কুষ্টিয়া সংবাদদাতা
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে প্রায় ৫০ লাখ টাকার পেঁয়াজ পচে গিয়ে ঋণের চাপে হারুন অর রশিদ খালেক নামের এক ব্যবসায়ী আত্মহত্যা করেছেন।
গত সোমবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার পান্টি ইউনিয়নের বিরিকুড়া গ্রামের শফিউজ্জামানের আম গাছ থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে স্বজনেরা। পরে খবর পেয়ে আজ মঙ্গলবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
নিহত খালেক পান্টি বাজারের মেসার্স সদর উদ্দিনের ছেলে। স্থানীয়রা জানায়, খালেক একজন বড় ব্যবসায়ী ছিলেন। তিনি ধান, পাট, পেঁয়াজসহ বিভিন্ন ফসলাদি ক্রয়-বিক্রয় করতেন। গত কয়েক বছর ধরে ব্যবসায় লোকসান গুণছিলেন। চলতি বছর প্রায় ৫০ লাখ টাকার পেঁয়াজ পচে যায়। সব মিলিয়ে ব্যাংক, এনজিও ও স্থানীয়দের কাছে কয়েক কোটি টাকা ঋণী ছিলেন খালেক। সেই ক্ষবের চাপ সহ্য করতে না পেরে ছোট ভাইকে ফোনে জানিয়ে গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেন এই ব্যবসায়ী।
স্থানীয়রা বলছেন, খালেক কৃষকের পাশাপাশি বড় ব্যবসায়ী ছিলেন। মানুষ হিসেবে ভালো হলেও ব্যবসায়ে ধারাবাহিক লোকসানের ফলে তিনি মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছিলেন।
এ তথ্য নিশ্চিত করে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামাল উদ্দিন জানান, ঋণের চাপে আত্মহত্যা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ময়না তদন্তের জন্য মরদেহটি কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।