পঞ্চগড় সংবাদদাতা
পঞ্চগড়ে মব সৃষ্টি করে ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনিক কর্মকর্তার উপর হামলার অভিযোগ জামায়াতের এক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। রবিবার (১২ এপ্রিল) বিকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে, জেলায় কর্মরত ইউনিয়ন পরিষদ কর্মকর্তাদের আয়োজিত মানববন্ধনে এ অভিযোগ করেন বক্তারা।
মানববন্ধনে ভুক্তভোগী প্রশাসনিক কর্মকর্তা আলিউল ইসলাম বলেন,পরিষদের আয় ব্যয় নির্বাহের জন্য সভা হয়। সেখানে হাড়িভাষা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাইয়েদ নুর ই আলম ভিজিএফ কার্ডের চালের খালি বস্তা বিক্রির টাকা এবং ঈদুল ফিতরে ইউনিয়নে ৪৫ টি গরু জবাইয়ের ফি বাবদ ২০০ টাকা হারে আদায়ের টাকা তিনি খরচের হিসাব দিবেনা।এক পর্যায়ে চেয়ারম্যান ক্ষিপ্ত হয়ে ব্যাটা বলে আমাকে মারার জন্য তেড়ে আসে। বাকবিতন্ডা চলতে থাকলে গ্রাম পুলিশ আবু হানিফ আমার শার্টের কলার ধরে ধাক্কা দেন এবং পিছন থেকে গ্রাম পুলিশ অলন্ত রায় ঘুষি মারে। ইউপি সদস্য ইব্রাহিম আমাকে অফিস কক্ষে নিয়ে যায়। পরে চেয়ারম্যানকে আমি মারপিট করেছি এভাবে গুজব রটিয়ে দিয়ে তার দলীয় জামায়াত শিবিরের লোকজনকে মুঠো ফোনে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে আসে আমার উপরে হামলা চালায়।
আমি যেন কোথাও যোগাযোগ করতে না পারি, আমার এন্ড্রোয়েড মোবাইলটিও নিয়ে নেয়। পরবর্তীতে পুলিশ উপস্থিত হয়ে আমাকে অফিস কক্ষ থেকে বের করে আসার সময়ে শিবিরের ক্যাডারা আমি সহ পুলিশের উপর লক্ষ করে ডিম নিক্ষেপ করে।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন,ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনিক কর্মকর্তা ইব্রাহীম খলিলুর,হারুন অর রশিদ প্রমুখ।তারা অতি দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত করে চেয়ারম্যান ও হামলার সাথে জরিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবী জানান।
এ সময় জেলায় কর্মরত ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য,গত বৃহস্পতিবার পঞ্চগড় সদর উপজেলার হারিভাষা ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে মারপিট ও অবরুদ্ধ করার ঘটনাটি ঘটে।