ডেস্ক রিপোর্টঃ
নওগাঁর সদর উপজেলার তিলকপুর গ্রামের মছির উদ্দিন মন্ডল ওয়াকফ এস্টেট এর (ইসি নং-১৭৯২৪) প্রায় ৯ লক্ষ টাকা অর্থ আত্মসাৎ।
২০২২ সালে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে সম্পূর্ণ অন্যায় ভাবে ওয়াকফর মছির উদ্দিন মন্ডলের নাতি মোহাম্মদ কাওসার আলমকে বাদ দিয়ে ছাত্রলীগ নেতা সাদ আহমদ নিজ নামে মোতাওয়াল্লী (সভাপতি) এবং সাথে ০৬ জন সদস্য কে নিয়ে কমিটি গঠন করে টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
ওয়াকিফের বংশধর নাতি মোঃ এনামুল হক পিতা মৃত কাইউম ওয়াকফ প্রশাসনিক বাংলাদেশ, ওয়াকফ প্রশাসক কার্যালয় ঢাকা বরাবরে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। সাদের ০৬ জন সদস্যদের মধ্যে কয়েক জনের সাথে আলোচনা করে জানা যায় তারা এই কমিটির বিষয়ে কিছুই জানেন না ।
সাদ কমিটির সদস্য ইয়াদুল হোসেন বলেন আমার বাড়িতে গিয়ে আমাকে সই করতে বললে আমি সই করে দেই কিসের জন্য সই নিয়েছে আমি জানিনা। সাদের অপর আরেক সদস্য আবু বক্কর বলেন “আমাকে ছাত্রলীগ নেতা সাদ আহমেদ তার নিজ বাড়ীতে ডেকে নিয়ে জোর করে কমিটি সদস্য তৈরি করে আমার স্বাক্ষর নেন “।
ছাত্রলীগ নেতা সাদ আহমেদ প্রকৃতপক্ষে সে মছির উদ্দিন মন্ডল এস্টেট ওয়াকফ এর কোন বংশধর বা সদস্য নয় । এই ওয়াকফ এস্টেট এর জমির পরিমাণ ৩.৪৪ একর এবং ১টি ঈদগা মাঠ রয়েছে । এবিষয়ে সাদ আহমেদ পলাতক থাকায় তার পিতা সাখোয়াত হোসেন ্বলেন সকল অভিযোগ মিথ্যা।
এই বিষয়ে ওয়াকিফের বংশধর নাতি মোঃ এনামুল হক পিতা মৃত কাইউম ওয়াকফ প্রশাসনিক বাংলাদেশ, ওয়াকফ প্রশাসক কার্যালয় ঢাকা বরাবরে একটি অভিযোগ দায়ের করলে নওগাঁ জেলা ওয়াকফ কার্যালয়ের অডিটর অফিসার মোঃ আমিনুল ইসলাম জানান মছির উদ্দিন মন্ডল এস্টেট এর ঈদগা মাঠে ওয়াকফর সকল সদস্য, এলাকাবাসী এবং স্থানীয় ইউপি মেম্বার নিয়ে তদন্ত স্বাপেক্ষে ছাত্রলীগ নেতা সাধের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের তদন্ত করে যথাযথ কার্যালয়ে প্রেরন করা হবে ।
ওয়াকিফের বংশধর নাতি মোঃ এনামুল হক বলেন সাদ মছির উদ্দিন মন্ডল এস্টেট এর কোন বংশধর না, ছাত্রলীগ নেতা হওয়ার সুবাদে প্রভাব খাটিয়ে অবৈধভাবে মোতাওয়াল্লির দায়িত্ব থাকাকালীন সময়ে এই ওয়াকফ এস্টেট ৩.৪৪ একর জমির ৪ বৎসরের আয় প্রায় ৯ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।
এছাড়াও ওয়াকফ সদস্য এবং এলাকাবাসী ছাত্রলীগ নেতা সাদ আহমেদ আত্মসাৎ করেছে বলে অভিযোগ করেন । দ্রুত সাদের বিচার দাবী করেন।


