আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
নাইজেরিয়ার অস্থির প্লেটো অঙ্গরাজ্যের রাজধানী জোসে বন্দুকধারীদের হামলায় অন্তত ১২জন মানুষ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনার জেরে গণপিটুনিতে আরও ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
রোববার (২৯ মার্চ) রাত প্রায় ৮টার দিকে প্লাটো রাজ্যের জোস উত্তর স্থানীয় সরকার এলাকার আংওয়ান রুকুবা সম্প্রদায়ে ভারী অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত বন্দুকধারীরা হামলা চালালে কমপক্ষে ১০ জন নিহত এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়। এরপর গনপিটুনিতে আরও ১০ জন নিহত হয় বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ২০ জনেরও বেশি বন্দুকধারী এলাকার একটি উপশহর গারি ইয়াওয়ায়েতে হামলা চালিয়ে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে, যার ফলে বাসিন্দারা প্রাণ বাঁচাতে ছোটাছুটি শুরু করে। এই ঘটনাটি ওই এলাকার শান্তি ও স্থিরতাও বিঘ্নিত করেছে, যেখানে জস বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন কর্মী ও শিক্ষার্থী বাস করেন।
নাইজেরিয়ার সংবাদমাধ্যম ডেইলি পোস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এলাকার এক বাসিন্দা জানান, ন্যাশনাল ড্রাগ ল এনফোর্সমেন্ট এজেন্সি (এনডিএলইএ)-এর ইউনিফর্ম পরা হামলাকারীরা মোটরসাইকেলে করে এসে অভিযান চলাকালে এলাকার বিভিন্ন অংশে গুলি চালাতে থাকে, যাতে বেশ কয়েকজন নিহত এবং অন্যরা আহত হন। “হামলাকারীরা এনডিএলইএ-র ইউনিফর্ম পরা ছিল। দোকানের ভেতর থেকে গুলি চালানোর আগে তারা এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে কিছু জিনিসপত্রও কিনেছিল। দোকান মালিক সৌভাগ্যক্রমে রক্ষা পেয়েছেন। বাকি চারজনের ভাগ্য সুপ্রসন্ন ছিল না,”
তিনি আরও বলেন, তারা চলে যাওয়ার আগেই ১০ জন নিহত হয়েছিল এবং আরও অনেকে এলোমেলো গুলিতে পালানোর চেষ্টা করতে গিয়ে আহত হয়েছিল।
“দুঃখজনক ব্যাপার হলো, বন্দুকধারীরা চলে যাওয়ার প্রায় এক ঘণ্টা পর সেনাবাহিনী ও অন্যান্য নিরাপত্তা কর্মীরা আসে,”
রাজ্য পুলিশের মুখপাত্র ডিএসপি আলফ্রেড আলাবো এবং অপারেশন এন্ডুরিং পিস (ওপিইপি)-এর মুখপাত্র ক্যাপ্টেন নিকোলাস ওতেহ-এর প্রতিক্রিয়া জানার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে, কারণ তাদের ফোনে করা কলগুলোর কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।


