যশোর সংবাদদাতা
রাস্তা নির্মাণের পর দিন মাইক্রো চলতেই দেবে গেছে। এই ঘটনার স্বাক্ষী চাঁচড়াবাসী। রবিবার সকালে এই চিত্র দেখা গেছে। পার্টস ব্যাবসায়ী আমিনুর রহমানের বাড়িয়ে সামনে দেখা যায় রাস্তা এক পাশ দেবে আছে। আগের দিন নতুন সলিং কাজ শেষ হয়েছে। এটি যশোরের শহরতলী চাঁচড়ার ঘটনা। বালি ও রোলিং ছাড়া কিভাবে ইটের সোলিং হতে পারে কারো বোধগম্য হতে পারে না।
জানা গেছে পাইলট প্রকল্পের আওতায় যশোর সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ইউনিয়ন পরিষদে গ্রাম্য অবকাঠামো উন্নয়ন কাজ চলছে। চাঁচড়া সাত নম্বর ওয়ার্ডে দুটি রাস্তায় সলিং কাজ চলছে। কিন্তু দায় সারা এই রাস্তা নির্মাণ কাজ নিয়ে প্রশ্ন ঢের। ১৫০ মিটার করে দুটি ৩০০ মিটার সোলিং কাজ নিয়ে বিপাকে এলাকাবাসী। একটি মহা সড়ক থেকে নাভারণ প্রিন্টিং তথা আফিল গ্রূপের অফিসের সামনে থেকে মহামুদের ইন্টারনেট অফিস হয়ে চাঁচড়ার মধ্যে গেছে। এই রাস্তাটি মুল রাস্তায় প্রায় ৫০ ফুট সোলিং করা হয়নি। অথচ মুল রাস্তাতে সংযোগ সড়ক দরপত্রে উল্লেখ রয়েছে।
গ্রামবাসী অভিযোগ করেছেন কয়েকজন আঞ্চলিক বিএনপির নেতা হিটলারি করে তাদের বাড়ির সামনে পাকা করে নিয়েছে। এর ফলে ঢাকা রোডের সাথে লিঙ্ক রোডের কোন সম্পর্ক রাখা হয়নি। ৫০ ফুট কি কারণে বাদ রাখা হয়েছে তা কেউ জানাতে পারেনি।
চাঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম, সাধারণ সম্পাদক ফজলুল করিম ও সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান সমীর কে কথা বলার জন্য পাওয়া যায়নি।
চাঁচড়া সাবেক পোস্ট অফিস ঢাকা রোড থেকে আমিনুর রহমানের বাড়ি পর্যন্ত দায়সারা সোলিং করা হয়েছে। শনিবার একটি মাইক্রো ভিতরে যেতেই ইট ফেঁসে গর্ত তৈরি হয়েছে। একটি মাইক্রোর ভার সহ্য করতে পারেনা -এ কেমন রাস্তা তা এলাকাবাসী বুঝে উঠতে পারছে না। রবিবার সকালে সরেজমিনে দেখা যায় সোলিং ছয় থেকে ১০ ইঞ্চি দেবে গেছে।
তবে এ সময় ঠিকাদার বা তার লোকজন ছিলনা। কোন ঠিকাদার এই রাস্তা নির্মাণ করছে তা এলাকাবাসী বলতে পারেনি। ক্ষোভ প্রকাশ করে এলাকাবাসী বলেন নাম কা ওয়াস্তে এই সোলিং রাস্তা নির্মাণ ঠিক কি কারণে তা কারো বোধ গম্য নয়। এক পাশে মুল রাস্তা থেকে ৫০ ফুট গ্যাপ। আরেক পাশে মাইক্রো যেতেই রাস্তা দেবে গেছে। তাহলে কোন মানদন্ডে এই রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে তা কেউ বলতে পারে না।


