কুষ্টিয়া সংবাদদাতা
কুষ্টিয়া সদর উপজেলার বটতৈল ইউনিয়নের ৪, ৫ ও ৬ নং সংরক্ষিত ওয়ার্ডের সাবেক মহিলা সদস্য শিল্পী খাতুনের বিরুদ্ধে হাজারো অসহায় মানুষের কাছ থেকে বিভিন্ন কায়দায় ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয়দের অভিযোগ, শিল্পী খাতুন বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতা, টিসিবি কার্ড, জমি সংক্রান্ত বিষয়, সালিশ মীমাংসা ও টিউবওয়েল দেওয়ার কথা বলে এলাকার গরিব অসহায় নারী-পুরুষদের কাছ থেকে জনপ্রতি ২ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা করে নিয়েছেন। কেউ কেউ ধার করে বা লোন তুলে টাকা দিয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, শিল্পী খাতুন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও জনপ্রতিনিধিদের নাম ব্যবহার করেও মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়েছেন। টাকা নেওয়ার পর দিনের পর দিন ঘোরালেও কোনো কাজ হয়নি। টাকা ফেরত চাইতে গেলে মারধরের হুমকিও দেওয়া হয় বলে ভুক্তভোগীরা জানান।
বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগীরা ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের বর্তমান মহিলা সদস্য মনিকা ওরফে ময়না এবং ৫ নং ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্য সৈয়দ আবে দুজ্জামান ওরফে কাজলকে অবগত করেন। তাদের উদ্যোগে গত ২১-০৬-২০২৫ ইং শনিবার বিকাল ৪টায় একটি গ্রাম্য সালিশের দিন ধার্য করা হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে শিল্পী খাতুন সালিশে উপস্থিত না হওয়ায় ইউপি সদস্য কাজল তাকে বাড়ি থেকে ডাকতে গিয়েও ব্যর্থ হয়ে ফিরে আসেন।
সালিশে উপস্থিত সামাজিক ও গ্রাম্য মন্ডল-মাতব্বররা এবং ভুক্তভোগীরা গণমাধ্যম কর্মীদের সামনে শিল্পী খাতুনের প্রতারণার বিষয়টি তুলে ধরেন।
এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীরা শিল্পী খাতুনকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং গরিব-অসহায়দের টাকা ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।


