সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
পাকিস্তানে কর্মরত অবস্থায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। নিহত যুবকের বাড়ি সীতাকুণ্ড উপজেলার বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের নডালিয়া গ্রামে। তাঁর মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।
স্থানীয় সূত্র ও নিহতের পরিবারের বরাতে জানা গেছে, কয়েকদিন আগে পাকিস্তানে কর্মরত অবস্থায় সন্ত্রাসীদের গুলির শিকার হয়ে ওই যুবক নিহত হন। তবে ঠিক কোন তারিখে, পাকিস্তানের কোথায় এবং কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে—তাৎক্ষণিকভাবে সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
পরিবারের সদস্যরা জানান, জীবিকার তাগিদে বিদেশে গিয়ে এমন মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় তারা শোকাহত ও অসহায় হয়ে পড়েছেন। সবচেয়ে বড় উদ্বেগ এখন নিহতের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা। তারা সরকারের কাছে কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে দ্রুত মরদেহ দেশে আনার ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানিয়েছেন।
নিহতের স্বজনরা বলেন, “আমরা সরকারের কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি, দ্রুত কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমাদের সন্তানের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে এনে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা করা হোক।”
এদিকে মর্মান্তিক এ ঘটনায় নিহতের পরিবারে শোকের মাতম চলছে। স্বজন ও স্থানীয়রা মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে পারিবারিকভাবে শেষ বিদায় দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পাকিস্তানে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা কামনা করা হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদেরও এ বিষয়ে সহযোগিতার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবারকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ, সময় ও স্থান সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।


