বরেন্দ্রকণ্ঠ নিউজ
শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিন শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে বের হবে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। এ আয়োজনকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ও যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে নগরবাসীর জন্য ৯ দফা নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদের সই করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনা জানানো হয়।
ডিএমপি জানিয়েছে, শুক্রবার বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির থেকে পুরান ঢাকার বাহাদুর শাহ পার্ক পর্যন্ত শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। এ সময়ে ওই রুটে চলাচলকারী যানবাহনকে বিকল্প সড়ক ব্যবহারের অনুরোধ করা হয়েছে।
শোভাযাত্রাটি ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির থেকে শুরু হয়ে পলাশী বাজার, জগন্নাথ হল, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, দোয়েল চত্বর, হাইকোর্ট, বঙ্গবাজার, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ভবন, গোলাপ শাহ মাজার ও গুলিস্তান মোড় হয়ে নবাবপুর রোড, রায় সাহেব বাজার মোড় পেরিয়ে বাহাদুর শাহ পার্কে গিয়ে শেষ হবে।
ডিএমপির ৯ নির্দেশনা হলো—
১. শোভাযাত্রার নির্ধারিত রুটে কোনো যানবাহন পার্কিং করা যাবে না।
২. শোভাযাত্রা চলাকালে উচ্চ শব্দে পিএ বা সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
৩. যারা শোভাযাত্রায় অংশ নেবেন, তাদের শুরুতেই নির্ধারিত স্থানে যুক্ত হতে হবে। মাঝপথে শোভাযাত্রায় যোগ দেওয়া যাবে না।
৪. নিরাপত্তার কারণে হ্যান্ডব্যাগ, ট্রলি, বড় ভ্যানিটি ব্যাগ, পোটলা, দাহ্য পদার্থ, ছুরি, অস্ত্র, কাঁচি, ক্ষয়কারক তরল, ব্লেড, দিয়াশলাই ও গ্যাসলাইটারসহ কোনো ঝুঁকিপূর্ণ সামগ্রী নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া যাবে না।
৫. শোভাযাত্রার রুটে চলার সময় কোনো ধরনের ফলমূল ছোড়া যাবে না।
৬. রাস্তায় অহেতুক দাঁড়িয়ে থেকে যান চলাচল বা শোভাযাত্রায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না।
৭. সন্দেহজনক কোনো ব্যক্তি বা বস্তু চোখে পড়লে দ্রুত নিকটস্থ পুলিশ সদস্যকে জানাতে হবে।
৮. শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের স্বেচ্ছাসেবক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।
৯. ব্যারিকেড, পিকেট ও আর্চওয়ে ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা করতে হবে। পাশাপাশি শোভাযাত্রা চলাকালে নগরবাসীকে পুলিশের নির্দেশিত বিকল্প সড়ক ব্যবহার করতে বলা হয়েছে।
ডিএমপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার থাকবে। নগরবাসীর সহযোগিতা ও নির্দেশনা মেনে চলার মাধ্যমে উৎসবের পরিবেশ বজায় রাখার পাশাপাশি যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করা হবে।


