হক আমীনঃ
খেলার মাঠে বয়স কোন বাঁধা নয়। উদ্যম, দক্ষতা আর অদম্য আকাঙ্খা থাকলে যে কোন বয়সেই নিজেকে মেলে ধরা যায়। তারই যেন উজ্জল উদাহরণ ইজাবুল হক। ঢাকা তেজগাঁও বিএএফ শাহীন কলেজ স্টাফদের বার্ষিক ক্রিড়া অনুষ্ঠান ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয় সম্প্রতি। এ ক্রিড়া অনুষ্ঠানে ফুটবলে দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়ে ইজাবুল হক অর্জন করেন সেরা খেলোয়াড়ের মর্যাদা।
বার্ষিক ক্রিড়া অনুষ্ঠান মানেই শুধু প্রতিযোগিতা নয়, এটি সহকর্মীদের মধ্যে ঐক্য, আনন্দ ও পারস্পরিক বন্ধনের এক অনন্য আয়োজন। কর্মব্যস্ততার একঘেয়েমি ভুলে সকলেই যখন নেমে আসেন খেলার মাঠে, তখন তৈরি রকম এক উত্সবের আবহ। এবারের আয়োজনেও ছিল সেই প্রানচাঞ্চল্য। বিভিন্ন ইভেন্টে অংশ নেন কলেজের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীগণ। তবে ফুটবল মাঠে ইজাবুল হকের বল দখলে রাখা ও বল পাসিং সবার নজর কাড়ে। তাঁর নৈপুণ্যে সতীর্থদের মধ্যে তৈরি হয় বাড়তি আত্মবিশ্বাস।
ফুটবলের প্রতি তার গভীর ভালোবাসা ও মাঠের পারফরম্যান্স শেষ পর্যন্ত এনে দেয় আসরের সেরা খেলোয়াড়ের মর্যাদা।
সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হওয়ার পর, ইজাবুল হকের আনন্দ যেন ছুঁয়ে যায় পুরো আয়োজনকে। সহকর্মীদের অভিনন্দন আর শুভেচ্ছায় তিনি হয়ে ওঠেন দিনের এক আলোচিত মুখ।
এ বার্ষিক ক্রিড়া অনুষ্ঠানে কলেজ অধ্যক্ষ গ্রুপ ক্যাপটেন শান্তনু চৌধুরি উপস্থিত থেকে খেলা উপভোগ করেন। শেষে তিনি পুরস্কার বিতরণ করেন।
বিএএফ শাহীন কলেজ স্টাফদের বার্ষিক ক্রিড়া অনুষ্ঠান ২০২৬ এর স্মৃতিতে ইজাবুল হকের নামটি থাকবে বিশেষভাবে। ফুটবল মাঠে তাঁর নৈপুণ্য তাঁকে এনে দিয়েছে সেরা খেলোয়াড়ের সম্মান আর সহকর্মীদের হৃদয়ে জায়গা করে দিয়েছে একজন দক্ষ ও নিবেদিত খেলোয়াড় হিসেবে। যা তাঁর জন্য সত্যি গর্বের বিষয়।


