আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ইরানের ওপর চাপ অব্যাহত রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের তিনটি সম্ভাব্য লক্ষ্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানকে ঘিরে ওয়াশিংটনের কৌশল সম্পর্কে কথা বলেন তিনি। বেসেন্টের মতে, চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে ইরানের অভ্যন্তরে রাজনৈতিক পরিবর্তন, গণআন্দোলন অথবা একটি চুক্তি বাস্তবায়নের পরিস্থিতি তৈরি করা—এই তিনটি সম্ভাব্য ফলাফল সামনে রয়েছে।
তিনি বলেন, প্রথম লক্ষ্য হতে পারে ইরানের শাসকগোষ্ঠীর মধ্যে বিভাজন তৈরি করা। দ্বিতীয়ত, দেশটির জনগণের মধ্যে কোনো ধরনের গণঅভ্যুত্থান সৃষ্টি হতে পারে। আর তৃতীয় সম্ভাবনা হলো, ইরান কোনো চুক্তিতে যেতে চাইলে সেটি মেনে চলতে বাধ্য করা।
ইরানের ওপর চলমান চাপের প্রভাব তুলে ধরে মার্কিন অর্থমন্ত্রী দাবি করেন, দেশটি থেকে বিদেশগামী অধিকাংশ বিমান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ৮০ থেকে ৯০ শতাংশের বেশি ফ্লাইট বন্ধ রয়েছে। জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানি প্রতিনিধিরা কীভাবে দেশে ফিরবেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
ইরানের তেলবাহী ট্যাংকার চলাচল নিয়ে প্রশ্ন করা হলে বেসেন্ট বলেন, বেশিরভাগ ট্যাংকার এখনো স্বাভাবিকভাবে চলাচল করছে।
ইরানের অর্থায়নকারীদের উদ্দেশে সতর্কবার্তা দিয়ে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র প্রতিদিন ও প্রতি সপ্তাহে তাদের কোম্পানি এবং ব্যাংক হিসাবের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেবে।
সাক্ষাৎকারে বেসেন্টের বক্তব্যে ইরানের ওপর অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক চাপ অব্যাহত রাখার পাশাপাশি দেশটির সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তির ক্ষেত্রেও যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত পাওয়া যায়।


