মাসুদ রানা, পত্নীতলাঃ
দেশের উত্তরের জনপদ বরেন্দ্র অধ্যুষিত শস্য ভান্ডার খ্যাত নওগাঁ জেলার পত্নীতলা উপজেলায় এখন গ্রামবাংলার চিরচেনা রূপ, সবুজে মোড়া বিস্তীর্ণ মাঠ। দিগন্ত জুড়ে সবুজের সমারোহ।
রোপা আমন ধানের চাষ আবাদে উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও ১ টি পৌরসভায় বিস্তর্ণ ফসলের মাঠ যতদূর চোখ যায়, শুধুই সবুজ আর সবুজ যেন কৃষকের রঙিন স্বপ্নের সবুজ ক্যানভাস। সকালের শিশিরভেজা ধানের পাতায় ফুটে ওঠে সতেজতার অনন্য সৌন্দর্য। কৃষকের কঠোর পরিশ্রমে গড়ে ওঠা এই ফসলের সবুজ আভা হৃদয় ছুঁয়ে যায়। চলতি রোপা আমন মৌসুমে ভালো ফলনের আশায় কৃষকরা এখন আশাবাদী ও স্বপ্নে বিভোর। মাঠে মাঠে আমন ধানের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ১১টি ইউনিয়নে চলতি আমন মৌসুমে প্রায় ২৩ হাজার ৪ শ ৩০ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রণোদনার আওতায় ৪ হাজার ১শ জন প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে ডি.এ.পি-১০কেজি,এম.ও.পি-১০ কেজি ও ধানবীজ-৫ কেজি করে দেওয়া হয়েছে।
এবার উপজেলায় উচ্চ ফলনশীল ব্রিধান-৮৬,ব্রিধান-৯৫ ব্রিধান-১০৩,বিনা-১৭,স্বর্ণা-৫সহ বিভিন্ন জাতের আমন ধান চাষ করা হচ্ছে।
সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন মাঠ ঘুরে দেখা যায়,আমন ধানের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষিশ্রমিক ও কৃষকেরা।
উপজেলার নজিপুর ইউনিয়নের পদ্মপুকুর গ্রামের কৃষক মো.আ: সামাদ (২৮) বলেন,তিনি এবার প্রায় ৩ বিঘা জমিতে আমন ধান চাষ করছেন। তবে একাধিক কৃষক জানান এবার সার শঙ্কট হয়েছে বেশী দামে সার কিনতে হয়েছে এবার বাড়তি খরচ হয়েছে তাই লাভ থাকবে না।
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো.সোহরাব হোসেন বলেন, রোগবালাই দমনে আইপিএম পদ্ধতি প্রয়োগে কৃষক মাঠ স্কুল পরিচালনা করা হচ্ছে,লিফলেট বিতরণ,উঠান বৈঠক,কৃষক সমাবেশ,স্পট মিটিং করা হচ্ছে। ধানের গাছ ভাল হয়েছে শেষ পর্যন্ত আবহাওয়া ভাল থাকলে ধানোর ভাল ফলন হবে।


