কাম্পাস সংবাদদাতাঃ
সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে নবীন শিক্ষার্থীদের ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ভর্তি কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে নবীন শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের সহযোগিতায় ক্যাম্পাসে বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে হেল্প ডেস্ক স্থাপন করা হয়েছে। এসব হেল্প ডেস্ক থেকে ভর্তি-সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।
ইনস্টিটিউট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে নবীন শিক্ষার্থীদের ভর্তি কার্যক্রম বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) শুরু হয়ে আগামী রবিবার (১১ অক্টোবর) পর্যন্ত চলবে। তবে শুক্রবার ও শনিবার ভর্তি কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থীদের ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।
ইনস্টিটিউট সূত্র আরও জানায়, এখন পর্যন্ত ৩৭৩ জন শিক্ষার্থী ভর্তি নিশ্চায়ন করেছেন। তবে এখনও কয়েকটি টেকনোলজিতে আসন খালি রয়েছে। এর মধ্যে আর্কিটেকচার টেকনোলজিতে ২২টি, এনভায়রনমেন্টাল টেকনোলজিতে ৫৭টি এবং ফুড টেকনোলজিতে ৪৮টি আসন শূন্য রয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, নওগাঁ সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট প্রশাসন, রোভার স্কাউট ইউনিট, ব্লাড সার্কেল, ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে পৃথকভাবে হেল্প ডেস্ক পরিচালনা করা হচ্ছে। এসব ডেস্কে দায়িত্ব পালনকারী সদস্যরা নবীন শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের ভর্তি-সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য দিচ্ছেন। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, ফরম পূরণ এবং ভর্তি কার্যক্রমের বিভিন্ন ধাপ সম্পর্কে সহযোগিতা করছেন।
দূর-দূরান্ত থেকে আসা অনেক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের জন্য পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ভর্তি প্রক্রিয়া নতুন হওয়ায় বিভিন্ন বিষয়ে তথ্যের প্রয়োজন হচ্ছে। হেল্প ডেস্কের মাধ্যমে তারা সহজেই প্রয়োজনীয় তথ্য ও দিকনির্দেশনা পাচ্ছেন। এতে ভর্তি কার্যক্রমে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ভোগান্তিও কিছুটা কমছে।
হেল্প ডেস্কে দায়িত্ব পালনকারী সদস্যরা জানান, নবীন শিক্ষার্থীদের ভর্তি কার্যক্রম সহজ, সুশৃঙ্খল ও নির্বিঘ্ন করতে তারা সহযোগিতার উদ্যোগ নিয়েছেন। কোনো শিক্ষার্থী যেন ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পর্কে তথ্যের অভাবে সমস্যায় না পড়েন, সেজন্য প্রয়োজনীয় তথ্য ও দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।
নবীন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরাও বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে স্থাপন করা এসব হেল্প ডেস্কের উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন। ভর্তি কার্যক্রম ঘিরে ক্যাম্পাসে বিভিন্ন সংগঠনের এমন সহযোগিতামূলক কর্মকাণ্ডে নবীন শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎসাহ এবং অভিভাবকদের মধ্যে স্বস্তি দেখা গেছে।


