ডেস্ক রিপোর্টঃ
নওগাঁয় শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত নওগাঁ শহরের কালিতলা মোড়ে এ ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। নওগাঁ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. শফিউল আযম টুটুলের নেতৃত্বে আয়োজিত এ ক্যাম্পে বিভিন্ন বয়সী প্রায় ৬০০ জন রোগী চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ গ্রহণ করেন।
সনাতন হিন্দু সম্প্রদায়ের শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে আয়োজিত এ ক্যাম্পে চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নওগাঁ সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মো. ফজলুল হক নয়ন এবং অর্থোপেডিক চিকিৎসক ডা. মো. হাসানসহ তাঁদের মেডিকেল টিম। ক্যাম্পে আসা রোগীদের প্রয়োজন অনুযায়ী বিনামূল্যে ওষুধ সরবরাহ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্ভোধন করেন নওগাঁ সদর আসনের সংসদ সদস্য মো. জাহিদুল ইসলাম ধলু।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন নওগাঁ জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শফিউল আযম রানা ও খাইরুল আলম গোল্ডেন, নওগাঁ সদর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শ ম আল কাফি তুহিন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক শহীদুজ্জামান সৌরভ, সদস্যসচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমান মানিক, নওগাঁ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. গোলাম রব্বানী সাজ্জু, তারেক জিয়া প্রজন্ম দলের নওগাঁ পৌর শাখার সদস্যসচিব তিশা পারভীনসহ স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মী ও স্থানীয় ব্যক্তিরা।
ক্যাম্পের আয়োজক শফিউল আযম টুটুল বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিকনির্দেশনা এবং নওগাঁ সদর আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম ধলুর পরামর্শক্রমে নিজস্ব অর্থায়নে এ ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করেছি। এখানে রোগীদের বিনামূল্যে ওষুধ সরবরাহ করা হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, শিশু-কিশোর, যুবক, বৃদ্ধসহ সব বয়সী মানুষের জন্য এ চিকিৎসাসেবা উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।
আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাত ১০টা পর্যন্ত প্রায় ৬০০ জন রোগী এ ক্যাম্প থেকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ গ্রহণ করেন। তাঁদের মধ্যে দুর্গাপূজায় প্রতিমা দর্শনে আসা দর্শনার্থী, সনাতন ধর্মাবলম্বী ভক্ত এবং বিভিন্ন ধর্মের নারী-পুরুষ ও পথচারীরা ছিলেন। পূজামণ্ডপে আসা কয়েকজন ব্যক্তি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁরাও দ্রুত চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেন।
সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম ধলু এ উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেন। দুর্গোৎসবের সময় সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়ার এ আয়োজন স্থানীয়দের জন্য সহায়ক হয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।


