যশোরের শার্শা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা কবীর উদ্দীন তোতা জামিনে মুক্তি পাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আবারও গ্রেপ্তার হয়েছেন। মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) বিকেলে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্ত হওয়ার পর পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় এবং পরবর্তীতে আদালতের মাধ্যমে আবার কারাগারে পাঠানো হয়।
পুলিশের দাবি, কবীর উদ্দীনকে চাঁচড়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে তার স্বজনরা বলছেন, জেলগেট থেকেই শার্শা থানা ও ডিবি পুলিশ তাকে ধরে নিয়ে যায়। পরে চাঁদাবাজির আরেকটি মামলায় তাকে ফের আটক দেখানো হয়।
কবীর উদ্দীন ওরফে তোতা শার্শা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক রোকসানা খাতুন এবং জেলা ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুরুল হক ভুঞা।
পুলিশ সূত্র জানায়, চলতি বছরের ১৬ মার্চ বিদেশে যাওয়ার সময় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কবীর উদ্দীনকে গ্রেপ্তার করে ইমিগ্রেশন পুলিশ। তার বিরুদ্ধে নাশকতা, চাঁদাবাজিসহ তিনটি মামলা রয়েছে।
চাঁদাবাজি মামলার এজাহার অনুযায়ী, বাদী শার্শার ব্যবসায়ী রিজাউল ইসলাম অভিযোগ করেন, ২০২৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি দুপুরে চেয়ারম্যান কবীর উদ্দীনের নেতৃত্বে আরও কয়েকজন তার দোকান থেকে ডেকে নিয়ে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। শেষ পর্যন্ত তিনি ৩ লাখ টাকাসহ মোট ১৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হন। ভয় ও পরিস্থিতির কারণে তখন মামলা করতে না পারলেও পরে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
ডিবির ওসি মঞ্জুরুল হক ভুঞা বলেন, “শার্শা থানায় তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা রয়েছে। শার্শা থানা পুলিশের সহযোগিতায় তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।


