শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি।।
বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় জাল টাকা লেনদেনের অভিযোগে তিন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব–১২-এর একটি দল।
গত শনিবার দুপুরে মির্জাপুর পশ্চিম খলিফাপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ১৫৭টি এক হাজার টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়। রাতে এ ঘটনায় শেরপুর থানায় মামলা হয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া তিন ব্যক্তি হলেন নাটোরের সিংড়া উপজেলার নায়েব আলী (৪২) ও এনামুল হক (২৯) এবং রাজশাহীর তানোর উপজেলার রফিকুল ইসলাম (42)।
র্যাব জানায়, মির্জাপুর পশ্চিম খলিফাপাড়ার যুবক ফারুক হোসেন নিজের ফেসবুক আইডিতে কিছু পাথরের ছবি পোস্ট করে বিক্রির বিজ্ঞাপন দেন। ওই পোস্ট দেখে জাল টাকার একটি চক্র পাথর কেনার কথা বলে সেখানে অবস্থান নেয়।
বিষয়টি জানার পর র্যাব শেরপুর থানা পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে অভিযান পরিচালনা করে। পুলিশের সদস্যরা ফারুকের বাড়ির দুটি ঘর ঘিরে ফেলেন এবং পরে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেন।
সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোহাম্মদ শফি কামাল বলেন, ‘গ্রেপ্তারের পর তল্লাশিতে নায়েব আলীর পকেট থেকে ১০০টি, রফিকুল ইসলামের কাছ থেকে ৩০টি এবং এনামুলের পকেট থেকে ২৭টি এক হাজার টাকার জাল নোট পাওয়া যায়। এ ছাড়া তাঁদের কাছ থেকে তিনটি ছোট পাথর, কিছু নগদ টাকা এবং চারটি মোবাইল জব্দ করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে তিনজনই জাল টাকা লেনদেনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় জাল টাকা সরবরাহ করতেন বলেও প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ঘটনাস্থলে জব্দ তালিকা প্রস্তুত করার পর তাঁদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করে থানায় সোপর্দ করা হয়।
শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস এম মঈনুদ্দীন বলেন, ‘আসামিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। চক্রটি সম্পর্কে আরও তথ্য বের করতে তদন্ত চলছে।’


