রংপুর প্রতিনিধি
রংপুরে কাজ আছে বলে সকালে পঞ্চগড় হইতে রওনা হন মতিউর রহমান (২৬)। অতপর আজ শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ওই যুবককে রংপুরের কাউনিয়ায় অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় লোকজন। ভর্তি করা হয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। অবস্থার অবনতি হলে তাকে রেফার্ড করা হয় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। কাউনিয়া থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) ব্রজ গোপাল কর্মকর্তা জানান, শনিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে স্থানীয় লোকজন উপজেলার শহীদবাগ ইউনিয়নের বল্লভবিষু এলাকায় বেইলি ব্রিজের নিচের অজ্ঞাত যুবককে অচেতন অবস্থায় পানিতে পরে থাকতে দেখতে পায়। পরে সেখানকার লোকজন অজ্ঞাত ওই যুবককে পানি থেকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। খবর পেয়ে হাসপাতালে পুলিশ গিয়ে অজ্ঞাত যুবকের পরিচয় সন্ধানের চেষ্ঠা করে। কিন্তু ওই যুবক মুখে কিছু বলতে পারছিল না। পরে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তার ওই যুবকের পরিচয় সনাক্ত করে পুলিশ। জানা যায় যুবকের নাম মতিউর রহমান, বয়স ছাব্বিশ বছর। সে পঞ্চগড়ের আটোয়ারী থানার ছোট ধাপ এলাকার মোখলেছুর রহমানের ছেলে। স্থানীয় লোকজন ছেলেটিকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। চিকিৎসক পরীক্ষা নিরীক্ষা করে ছেলেটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে রেফার্ড করে। বর্তমানে ছেলেটি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে ভর্তি আছে।
কাউনিয়া থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) ব্রজ গোপাল কর্মকর্তা বলেন, পরিচয়ের সন্ধান পাওয়ার পর ওই যুবকের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করা হয়। যুবকের স্বজনরা জানিয়েছে, শনিবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে রংপুররে কাজ আছে বলে মতিউর রহমান বাড়ী থেকে বের হয়। কিন্তু ছেলেটি তার মোবাইল ফোনটি বাড়ীতে রেখে আসে। ওই ছেলেটি প্রায়ই রংপুরে আসা যাওয়া করত এবং রংপুরের অজ্ঞাতনামা তরুনীর সাথে নিয়মিত কথা বলত বলে ছেলেটির পরিবারের সদস্যরা পুলিশকে জানিয়েছে। এছাড়া আর কোন কিছুই বলতে পারে না ছেলেটির স্বজনরা। অচেতন অবস্থায় উদ্ধার হওয়া যুবকের শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায় নাই।
কাউনিয়া থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) মোহাম্মদ শিহাব উদ্দিন বলেন, তিনি ছুটিতে আছেন, থানা থেকে জানানো হয়েছে প্রেম ঘটিত কারনে হয়তো ওই যুবক কাউনিয়া এলাকায় এসে অচেতনের ওষুধ খেতে অজ্ঞান হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে। এরপরও কিভাবে ঘটনাস্থলে ছেলেটি এসেছে এবং অচেতন হওয়ায় রহস্য উদঘাটনে কাজ করেছ পুলিশ।


