২২ মাসেরও বেশি সময় ধরে অবরুদ্ধ গাজায় হামাস উৎখাত ও জিম্মি উদ্ধারের নামে চালানো হচ্ছে ইসরায়েলি আগ্রাসন। প্রতিদিন বাড়ছে হত্যাযজ্ঞ ও ধ্বংসযজ্ঞ। নারী-শিশু কেউই রেহাই পাচ্ছে না।
আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর থেকে এ পর্যন্ত গাজায় ২৩৩ জন ইমাম ও ইসলামি প্রচারককে হত্যা করেছে দখলদার ইসরায়েলি সেনারা। একইসঙ্গে ধ্বংস করা হয়েছে ৮২৮টি মসজিদ এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আরও ১৬৭টি মসজিদ। এছাড়া গাজার তিনটি চার্চ ধ্বংস করা হয়েছে এবং নিহত হয়েছেন অন্তত ২১ জন ফিলিস্তিনি খ্রিস্টান।
গাজার মিডিয়া অফিসের প্রধান ইসমাইল আল থাওয়াবতেহ জানান, মসজিদ, গির্জা, ধর্মীয় নেতা ও ইমামদের ওপর পরিকল্পিত হামলা চালানো হচ্ছে। এর মাধ্যমে ধর্মীয় কণ্ঠস্বর স্তব্ধ করে ফিলিস্তিনিদের প্রতিরোধ আন্দোলনের মূলভিত্তি দুর্বল করার চেষ্টা চলছে।
তার ভাষায়, “জাতীয় পরিচয়, ঈমান এবং সামাজিক সংহতি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন ইমাম ও আলেমরা। তাদের হত্যা করে ফিলিস্তিনিদের মনোবল ভাঙার চেষ্টা করছে ইসরায়েল।”
তিনি আরও বলেন, শতাব্দীপ্রাচীন ধর্মীয় স্থাপনা ধ্বংস করে গাজার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সামাজিক পরিচয়ের সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের শেকড়ের সম্পর্ক মুছে ফেলার চেষ্টাও করছে দখলদার বাহিনী।


