ডেস্ক রিপোর্টঃ
বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য ইন্দোনেশিয়ার ভিসা অন অ্যারাইভাল সুবিধা পুনর্বহালের বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে দেশটি। একই সঙ্গে বাংলাদেশের পর্যটন ও হসপিটালিটি খাতে দক্ষ জনবল তৈরিতে কাজ করার আগ্রহ জানিয়েছে ইন্দোনেশিয়া।
রোববার (৯ আগস্ট) সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম এবং প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত মিস লিস্তিওয়াতি। এ সময় দুই দেশের পর্যটন ও এভিয়েশন খাতের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।
সাক্ষাতে বাংলাদেশি সাধারণ পাসপোর্টধারীদের ইন্দোনেশিয়ায় ভ্রমণের ক্ষেত্রে ভিসা অন অ্যারাইভাল সুবিধা পুনরায় চালুর বিষয়টি গুরুত্ব পায়। রাষ্ট্রদূত জানান, এ সুবিধা ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করতে ইন্দোনেশিয়া আগ্রহী।
বাংলাদেশের পর্যটন খাতের সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে পর্যটন খাতে যৌথভাবে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে দক্ষতা উন্নয়ন ও হসপিটালিটি খাতে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানো যেতে পারে।
মন্ত্রী আফরোজা খানম জানান, দেশের পর্যটন ও বিমান খাতকে আরও শক্তিশালী করতে সরকার কাজ করছে। ইন্দোনেশিয়ায় বাংলাদেশি পর্যটকদের আগ্রহের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ভিসা অন অ্যারাইভাল সুবিধা পুনর্বহালের বিষয়টি সরকার গুরুত্ব দিয়ে দেখছে।
বৈঠকে বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতের অবকাঠামো উন্নয়ন নিয়েও আলোচনা হয়। প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেশে মেইনটেন্যান্স, রিপেয়ার অ্যান্ড ওভারহল (এমআরও) ইউনিট প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
দেশের পর্যটন খাতে দক্ষ কর্মী তৈরির জন্য ন্যাশনাল হোটেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ট্রেনিং ইনস্টিটিউটকে (এনএইচটিটিআই) আধুনিকায়নের কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী।
এদিকে বাংলাদেশের হসপিটালিটি খাতের উন্নয়নে এনএইচটিটিআইয়ের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত। সমঝোতা হলে প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন ও দুই দেশের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ আরও বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
দুই দেশের মধ্যে পর্যটন, এভিয়েশন, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগের ক্ষেত্রেও সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে বৈঠকে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।


