বরেন্দ্রকণ্ঠ নিউজ
দেশের মানুষের আমিষের চাহিদা পূরণে মুক্ত ও বদ্ধ জলাশয়ে মাছ চাষ আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনের লেকে পোনামাছ অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
স্পিকার বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে জলাশয়কে কাজে লাগিয়ে মৎস্য উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগে দেশের আনাচে-কানাচে মৎস্য চাষ সম্প্রসারণের যে কার্যক্রম চলছে, তারই ধারাবাহিকতায় জাতীয় সংসদ ভবনের লেকেও পর্যায়ক্রমে পোনামাছ অবমুক্ত করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল ও বঙ্গোপসাগর মৎস্য উৎপাদন ও আহরণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে দেশের মৎস্যসম্পদ আরও সমৃদ্ধ করার সুযোগ রয়েছে।
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, সংসদ ভবনের লেকে মাছ চাষের মাধ্যমে দেশের গ্রামাঞ্চলের মানুষও মৎস্য উৎপাদনে উৎসাহিত হবেন। এর ফলে মৎস্যসম্পদ উৎপাদনে সাধারণ মানুষের আগ্রহ আরও বাড়বে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। স্বাগত বক্তব্য দেন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়া।
চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বলেন, দেশের মানুষের আমিষের চাহিদা পূরণে মাছ ও মাংসের উৎপাদন বাড়াতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে দেশের প্রতিটি এলাকায় মৎস্য উৎপাদন বাড়ানো প্রয়োজন।
তিনি বলেন, ‘আমাদের সন্তান থাকুক দুধে-ভাতে’ এবং ‘মাছে-ভাতে বাঙালি’—এই প্রত্যাশা বাস্তবায়নে দেশের সর্বত্র মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
জাতীয় সংসদ ভবনের লেকে ধাপে ধাপে মোট ১ হাজার ২০০ কেজি পোনামাছ অবমুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর অংশ হিসেবে সোমবার ২৫০ কেজি রুই, মৃগেল, কাতলা ও কালিবাউশ প্রজাতির পোনামাছ লেকে ছাড়া হয়।
অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


