বরেন্দ্রকণ্ঠ নিউজ
বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতে বড় ধরনের বিনিয়োগের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি সেমিকন্ডাক্টর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) কোম্পানি বাংলাদেশে ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার ইস্ট পালো আল্টোতে ফোর সিজনস হোটেলের সিনার্জি রুমে আয়োজিত ‘সিইও অ্যান্ড সিনিয়র এক্সিকিউটিভস রাউন্ড টেবিল’ বৈঠকে এ তথ্য জানান তিনি। ‘বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির জন্য প্রযুক্তি, বিনিয়োগ ও কৌশলগত অংশীদারত্ব’ শীর্ষক আলোচনায় বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতের সম্ভাবনা ও বিনিয়োগের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
ববি হাজ্জাজ বলেন, বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের জন্য উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে এআই ও সেমিকন্ডাক্টর খাতে মার্কিন কোম্পানিগুলোর আগ্রহ দেশের জন্য নতুন অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।
তিনি বলেন, সম্ভাব্য বিনিয়োগকে বাস্তবে রূপ দিতে প্রযুক্তি স্থানান্তর, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা, গবেষণা ও উদ্ভাবন এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। বৈশ্বিক প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশকে আধুনিক প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক অংশীদারত্বের সমন্বয়ে এগিয়ে যেতে হবে।
বৈঠকে এআই ও ডেটা অবকাঠামো, সেমিকন্ডাক্টর শিল্প, প্রযুক্তি স্থানান্তর, দক্ষ জনশক্তি উন্নয়ন, গবেষণা ও উদ্ভাবন এবং বাণিজ্য সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা হয়। আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোর সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলোও আলোচনায় উঠে আসে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, এআই, ডেটা অবকাঠামো ও সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ দেশের অর্থনীতিতে নতুন খাতের বিকাশ ঘটাতে পারে। একই সঙ্গে এসব খাতে দক্ষ জনবল তৈরির মাধ্যমে ভবিষ্যতে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।
কারম্যাক্সের নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধান তথ্য ও প্রযুক্তি কর্মকর্তা শামীম মোহাম্মদ বৈঠকটি সঞ্চালনা করেন। এতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জ্যেষ্ঠ নির্বাহীরা অংশ নেন।


