সাগর মিয়া, রংপুরঃ
আওয়ামী লীগের ঘোষিত ১৩ নভেম্বর সারাদেশে ‘লকডাউন’ কর্মসূচিকে ‘রাজনৈতিক ভয়ভীতি’ ও ‘নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা’ হিসেবে উল্লেখ করে রংপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে গণঅধিকার পরিষদ রংপুর মহানগর শাখা।
বৃহস্পতিবার দুপুরে টাউন হল চত্বর থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান সড়কগুলো অতিক্রম করে জুলাই চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। গণতন্ত্র,সংস্কার, জুলাই আগস্টে ছাত্র-জনতার হত্যার বিচার, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরানো, শাপলা চত্বরে গণহত্যা, বিডিআর হত্যাসহ, জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগ ওর ১৪ দলের বিচারের দাবি ও বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে রংপুর মহানগর গণধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা।
নেতাকর্মীরা রাজপথে যে শক্তি প্রদর্শন করেছেন, তা আগামীর আন্দোলনে নতুন গতি আনবে বলে মনে করছেন গনঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা।
দুপুরে টাউন হলের সামনে জড়ো হতে শুরু করে বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে গনঅধিকার পরিষদের রংপুর মহানগর শাখার নেতাকর্মীর। স্লোগানে মুখরিত হয় রংপুর পাবলিক লাইব্রেরি মাঠ। নেতাকর্মীদের কণ্ঠে শোনা যায়। গণতন্ত্র মুক্তি পাক,ফ্যাসিস্টদের অপতৎপরতা রুখে দাও,গণঅধিকার পরিষদ লক্ষ্যে অটল। জুলাই চত্বরে অবস্থান কর্মসূচি শুরুর পর নেতারা একে একে বক্তব্য রাখেন।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, খুনি হাসিনার ঘোষিত লকডাউন জনগণের স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত করার রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র। দেশে ভয় তৈরি করে গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে স্বৈরাচারী খনি হাসিনা, আমরা তা হতে দেবো না।
বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেন গণঅধিকার পরিষদের রংপুর মহানগর শাখার সদস্য সচিব মোঃ ইয়াছিন আলী।
তিনি বলেন, এ লকডাউন জনগণ মানে না। দেশের মানুষ খুনি হাসিনার আমলে খুন হয়েছে গুম হয়েছে। ২৪ সালে জুলাই আগষ্টে নিরীহ মানুষ কে গুলি করে মারার হুকুম দিয়েছে। তার সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি চাই। তার দোসরদের ফাঁসি চাই।
তিনি আরও বলেন, গণঅধিকার পরিষদ শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের পথেই অটল। কিন্তু যেকোনো অপতৎপরতার জবাব জনগণ জানে। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়ছি না। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন দীর্ঘমেয়াদি হবে। জনগণের অধিকার পুনরুদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত আমরা প্রহরী হয়ে রাজপথে থাকব।
এ সময় কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন,সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আল-এমরান সুজন। সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব মোঃ আনোয়ার চৌধুরি।যুগ্ম সদস্য সচিব মোঃ মনোয়ার হোসেন। যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ সাখাওয়াত হোসেন। এ ছাড়াও মহানগর, থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।


