শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ
বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় পুকুরের মাছ লুট, মারধর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী মো. নজরুল ইসলাম।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কুসুম্বী ইউনিয়নের উত্তর পেঁচুল গ্রামের বাসিন্দা নজরুল ইসলামের সঙ্গে স্থানীয় কয়েকজনের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর জেরে গত মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে অভিযুক্ত মো. সজিব আহম্মেদ রাজু ও অজ্ঞাতনামা আরও ৩৫ থেকে ৩৮ জন দলবদ্ধ হয়ে তাঁর পুকুরে প্রবেশ করেন।
অভিযোগে বলা হয়, পুকুর থেকে প্রায় ১৮ মণ রুই, কাতল ও গ্রাস কার্পসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ মেরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় দেড় লাখ টাকা।
ভুক্তভোগীর দাবি, খবর পেয়ে তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা পুকুরে গেলে অভিযুক্তরা তাদের গালিগালাজ করেন। একপর্যায়ে তাঁর স্ত্রী লিপি আক্তারকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয় এবং ছেলে রবিউল ইসলাম ভিডিও ধারণ করতে গেলে তার কাছ থেকে মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ভিডিও মুছে ফেলা হয়। পরে তাদের এলোপাতাড়ি মারধর করা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত সজিব আহম্মেদ রাজু বলেন, অভিযোগটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। পুকুরটি আমি বন্ধক নিয়েছি, আমার পুকুরে আমি মাছ মেরেছি।
এ বিষয়ে শেরপুর থানার (ওসি তদন্ত) জয়নুল আবেদীন বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি সত্যতা যাচাই পূর্বক তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


