চট্টগ্রাম সংবাদদাতা
আসন্ন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্মচারী পরিষদ (সিবিএ-২৫৩৯) নির্বাচনকে ঘিরে বন্দর এলাকায় বইছে উৎসবমুখর নির্বাচনী হাওয়া। শ্রমিক-কর্মচারীদের অধিকার আদায়ের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর মোঃ কামরুল হাসান চৌধুরী এবার নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন। বন্দর সংশ্লিষ্টদের কাছে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা ও দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা সাধারণ ভোটারদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
নির্বাচনী প্রস্তুতি হিসেবে কামরুল হাসান চৌধুরী নিয়মিত শ্রমিকদের সাথে মতবিনিময় করছেন। তিনি মনে করেন, মেহনতি মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করার এটাই শ্রেষ্ঠ সময়।
শ্রমিকদের উদ্দেশে কামরুল হাসান চৌধুরীর প্রত্যয়:
”বন্দর সচল থাকলে দেশের অর্থনীতি সচল থাকে। আর শ্রমিকরা ভালো থাকলেই কেবল বন্দর সমৃদ্ধ হয়। বর্তমানে বাংলাদেশে একটি চমৎকার গণতান্ত্রিক পরিবেশ বিরাজ করছে। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান কৃষক, শ্রমিক এবং মেহনতি মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি চান এদেশের খেটে খাওয়া মানুষেরা যেন সম্মানের সাথে মাথা উঁচু করে বাঁচতে পারে।”
মোঃ কামরুল হাসান চৌধুরী আরো বলেন :
”মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান শ্রমিকদের যে আধুনিক ও উন্নত জীবনের স্বপ্ন দেখছেন তাদের দুঃখ দুর্দশা দূরীকরণের চেষ্টা করছেন, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন ইনশাল্লাহ অতি শীঘ্রই হতে চলেছে। আর দেশের এই মহৎ কাজে আমি শ্রমিকদের পাশে থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই নেক উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের শরিক হতে চাই আর এটাই আমার মূল লক্ষ্য।
আমি নির্বাচিত হলে বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের গণতান্ত্রিক সরকারের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রেখে আপনাদের ন্যায্য পাওনা, স্বতন্ত্র পে-স্কেল এবং যৌক্তিক দাবিগুলো ধাপে ধাপে আদায় করে আনব। প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করতে এবং তাঁর লক্ষ্য বাস্তবায়নে আমি আপনাদের দোয়া ও সমর্থন চাই।”
রাজনৈতিক দর্শন ও আগামীর অঙ্গীকার
রাজনীতি মানে কেবল পদ-পদবি নয়, বরং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকাই কামরুল হাসান চৌধুরীর আদর্শ। ছাত্রজীবন থেকে দীর্ঘ ১৭ বছর রাজপথের সক্রিয় রাজনীতি শেষে বর্তমানে তিনি ট্রেড ইউনিয়নের মাধ্যমে শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় নিবেদিতপ্রাণ।
তাঁর নির্বাচনী ইশতেহারের মূল পয়েন্টগুলো:
স্বতন্ত্র পে-স্কেল বাস্তবায়ন: প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন দর্শনের সাথে মিল রেখে আধুনিক ও সম্মানজনক বেতন কাঠামো নিশ্চিত করা।
বেসরকারিকরণ প্রতিরোধ: জাতীয় সম্পদ চট্টগ্রাম বন্দরের স্বায়ত্তশাসন রক্ষা এবং কোনো বিদেশি বা মাফিয়া চক্রের কাছে ব্যক্তিমালিকানায় হস্তান্তরের অপচেষ্টা রুখে দেওয়া।
শ্রমিক কল্যাণ ও আধুনিক চিকিৎসা: শ্রমিক ও তাদের পরিবারের জন্য উন্নত স্বাস্থ্যসেবা এবং আধুনিক আবাসন নিশ্চিত করা।
অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন: একটি স্বচ্ছ ও শ্রমিকবান্ধব প্রশাসন গড়ে তোলা।
লভ্যাংশের ৫% একটি প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকারঃ যা দেশের এবং বিদেশের বিভিন্ন কোম্পানিগুলো তার কর্মচারীদের দিয়ে থাকে তা চট্টগ্রাম বন্দরেও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কল্যাণে চালু করা।
বিপুল সাড়ায় উজ্জীবিত নির্বাচনী মাঠ
নির্বাচনী ময়দানে কামরুল হাসান চৌধুরীর পক্ষে প্রবীণ ও নবীন শ্রমিক নেতাদের ঢল নেমেছে।
দীর্ঘ সময় পর ভোটাধিকার ফিরে পাওয়ায় সাধারণ কর্মচারীদের মধ্যে বিরাজ করছে টানটান উত্তেজনা।
বিশেষ করে তরুণ ভোটাররা মনে করছেন, জনাব তারেক রহমানের আধুনিক বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নে মোঃ কামরুল হাসান চৌধুরীর মতো অভিজ্ঞ নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই।
মোঃ কামরুল হাসান চৌধুরী উন্নয়নের এই মহাযাত্রায় চট্টগ্রাম বন্দরের সকল স্তরের শ্রমিক-কর্মচারীদের দোয়া ও পূর্ণ সমর্থন প্রত্যাশা করছেন।


