ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি
নওগাঁর ধামইরহাটে কৃষি কাজের জন্য কৃষকের মাঠে যাওয়ার রাস্তা বন্ধ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে কৃষকগণ ইরি ধান কাটা ও ওই রাস্তা দিয়ে ধানমাড়াই মেশিন আসতে না পারায় ক্ষতিা সম্মুখিন হচ্ছেন। রাস্তাখুলে দেয়ার পাশাপাশি রাস্তার উপর মলমূত্র ও ময়লা পানি ফেলা বন্ধ করার দাবীতে ওই গ্রামের মাসুদ হাসান সহ তিন জনের নাম উল্লেখ করে থানায় অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগি এক কৃষক। অভিযোগ পেয়ে থানা পুলিশ রোববার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
ধামইরহাট থানায় অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ধামইরহাট ইউনিয়নের বড় মইশড় গ্রামের পূর্ব উত্তরদিক থেকে একটি কাঁচারাস্তা বেরহয়ে গ্রামেরপূর্ব মাঠ এবং উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করেন এলাকাবাসী।ওই রাস্তা দিয়ে গ্রামের কৃষকগন জমির ফসল নিজ নিজ বাড়ীতে নিয়ে আসেন। কিন্ত বেশ কিছুদিন ধওে রাস্তার পার্শেও বাড়ী মৃত আশরাফ আলীর ছেলে মো.মাসুদ হাসান (৫২) মানুষের চলাচলের বাধা সৃষ্টি করে রাস্তার পার্শে এস এস তারের বেড়া এবং রাস্তার উপর তার নিজ বাড়ীর গরু-ছাগলের মলমূত্র এবং গৃস্থালীর সকল পানি ফেলে। এতে কাঁচা রাস্তাটির মানুষের চলাচলের অনুপযোগি হয়ে পড়ে।
এ ব্যাপারে ওই এলাকার কৃষক এবং রাস্তা সংলগ্ন বাড়ীর মালিক মো. ফারুক আজিজ বলেন, চলতি ইরি মওসুমে রাস্তা চলাচলের অনুপযোগি হওয়ায় ধান মাড়াইয়ের মেশিন আসতে না পারায় তার প্রায় ১৫০ মণ ধান খলিয়ানে নষ্ট হয়েছে। যার বাজার মূল্য প্রায় দুইলক্ষ ১০ হাজার টাকা| অপর কৃষক মো. মোকছেদুল ইসলাম বলেন, এ রাস্তা দিয়ে আমরা কৃষকগণ দির্ঘ দিন যাবত মাঠে যাওয়া আসা করি এবং মাঠের ফসল ঘওে তুলি। বাড়ীর গৃস্থালী পানি রাস্তার উপর দিয়ে প্রবাহিত করায় রাস্তাটি চলাচল করা যায় না। এতে কৃষকদের চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অবশেষে গত শনিবার রাতে কৃষক ফারুক আজিজ বাদী হয়ে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
এব্যাপারে অভিযুক্ত মো.মাসুদ হাসান বলেন,যে রাস্তাটির কথা বলা হচ্ছে সেটি আমার নিজস্বজায়গা। পূর্বে বাঁশ দ্বারা ঘেরাছিল বর্তমানে এস এস তার দ্বারা ঘেরা হয়েছে।
ধামইরহাট থানার সহকারি উপ-পরিদশন (এএসআই) মো.সাজ্জাদ হোসেন বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে থানার অফিসার ইনচার্জ এর নিদের্শ মতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। সত্যিই রাস্তার পরিস্থিতি করুণ। রাস্তার উপর নোংরা পানি ও মলমূল ফেলার কারণে মানুষের চলাচলের কোন সুযোগ নেই। পরিদর্শন শেষে অফিসার ইনচার্জ কে পুরো বিষয় অবগত করেছি।


