আমতলী (বরগুনা) সংবাদদাতা
বরগুনার আমতলী উপজেলার বৈঠাকাটা গ্রামের বাসিন্দা বকফুল বেগম (৬৫)। প্রতিবন্ধী এই নারী দীর্ঘদিন ধরেই একা বসবাস করছেন। ছেলেরা দূরে থাকায় খেয়ে-না-খেয়ে দিন কাটানোই যেন তাঁর জীবনের নিত্যসঙ্গী।
অভাব-অনটনের মধ্যেই কাটছিল তাঁর জীবন। ঠিক এমন সময় ইসলামিক রিলিফের কুরবানির মাংস বিতরণ কর্মসূচি তাঁর জীবনে নিয়ে আসে এক টুকরো আনন্দ।
মাঠ পর্যায়ের জরিপে তাঁকে উপকারভোগী হিসেবে খসড়া তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হলেও, নিজস্ব মোবাইল ফোন না থাকায় চূড়ান্ত তালিকায় নাম ওঠা নিয়ে তৈরি হয় জটিলতা। পরে পাশের বাড়ির একজনের মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে তাঁকে চূড়ান্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
বকফুল বেগম বিশ্বাসই করতে পারেননি যে তিনি ২ কেজি কুরবানির মাংস পাবেন। বিতরণের সময় হাতে মাংস পেয়ে তিনি আনন্দে ও বিস্ময়ে বলে ওঠেন—“এত্ত মাংস!”
আবেগাপ্লুত কণ্ঠে তিনি জানান, জীবনে কখনও একসঙ্গে এত মাংস পাননি। এই সহায়তা তাঁর ঈদের আনন্দকে করেছে আরও উজ্জ্বল।
গ্রামের পর গ্রাম ঘুরে বকফুল বেগমের মতো অসংখ্য অসহায় ও প্রান্তিক মানুষের হাতে কুরবানির মাংস পৌঁছে দিতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ইসলামিক রিলিফের প্রতিনিধি সাগর চন্দ্র হাওলাদার।
তিনি বলেন, “সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারাটাই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।


