সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে কুমিরা আবাসিক বালিকা স্কুল অ্যান্ড কলেজের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া ১৩ কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।
গতকাল রোববার দুপুরে কুমিরা আবাসিক বালিকা স্কুল অ্যান্ড কলেজের হলরুমে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের ফুলেল শুভেচ্ছা, সম্মাননা ও উৎসাহ প্রদান করা হয়।
কলেজের অধ্যক্ষ মো. নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং প্রভাষক আসিফ মাহমুদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট লায়ন মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন চৌধুরী।
বিশেষ অতিথি ছিলেন লতিফা ছিদ্দিকী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ লোকমান মিয়া, মাদাম বিবিরহাট শাহজাহান উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মমতাজ রোখসানা আক্তার, সীতাকুণ্ড প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল কাইয়ুম চৌধুরী, সাংবাদিক অ্যাডভোকেট মো. নাসির উদ্দিন, রোজ গার্ডেন একাডেমির প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম, এস. এ. চৌধুরী ইনস্টিটিউটের প্রধান শিক্ষক মো. আতাউর রহমান এবং সিটি মডেল স্কুলের প্রধান শিক্ষক নাসরিন নাহার।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক মো. খোরশেদ আলম, অধ্যাপক কানিজ সদরুন নেসা, অধ্যাপক আবুল হাশেম, অধ্যাপক কাজী রেজাউল করিম, সিনিয়র শিক্ষক বীরেন্দ্র নাথ ঘোষ, অরূনা পলি, শুভ চৌধুরী, মাহমুদুল ইসলাম, অমিত চৌধুরী, রায়হান ইসলাম, আফিয়া খাতুন, ইসরাত জাহান রুনা, কামরুন নাহার, কায়সার হাসান এবং অভিভাবক কাজী নাজিমসহ শিক্ষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে লায়ন মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন চৌধুরী বলেন, “কৃতী শিক্ষার্থীদের এই অর্জন শুধু তাদের নিজেদের নয়; এর পেছনে শিক্ষক ও সচেতন অভিভাবকদেরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।”
তিনি কৃতী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, “তোমরা এই বিদ্যাপীঠে আজ কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছো। আগামীতে এই অর্জনের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে হবে। শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে সবার সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই বিদ্যাপীঠের যেকোনো প্রয়োজনে আমার সহযোগিতা থাকবে।”
অনুষ্ঠানে বক্তারা শিক্ষার্থীদের সাফল্যের জন্য শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জনের জন্য শিক্ষার্থীদের মনোযোগী ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ১৩ জন জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সাফল্যে শিক্ষক, অভিভাবক ও সহপাঠীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।


