শাহজাদপুর থেকে নাজমুল হক:
কিছু মানুষ শুধু পেশায় নয়, আদর্শে জন্ম গ্রহন করেন । ডাক্তার এম এ মুহিত তেমনি একজন মানুষ-যার শিরায় শিরায় প্রবাহিত মানব সেবা, সততা আর জনতার প্রতি দায়বদ্ধতা । তাঁর জীবনের প্রতিটি অধ্যায়জুড়ে আছে মানুষের চোখে আলো ফেরানোর গল্প আর সেই আলো থেকেই আজ জন্ম নিচ্ছে মানুষের স্বপ্ন দেখার সাহস ।
এই গল্পের শুরু তাঁর বাবা প্রয়াত ডাক্তার এম এ মতিনকে দিয়ে। সিরাজগঞ্জবাসীর কাছে তিনি ছিলেন শুধু একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ নন, তিনি ছিলেন আশ্রয়, আস্থা ও আলোর প্রতীক। অগনিত মানুষের অন্ধকার জীবনকে তিনি ফিরিয়ে দিয়েছেন দৃষ্টি । আবার
এম পি, মন্ত্রী হিসাবে রাজনীতিতে রেখে গেছেন সততা, সাহস আর জনসেবার উজ্জল দৃষ্টান্ত । তাঁর নাম আজও উচচারিত হয় শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় ।
বাবার সেই আলোকিত আদর্শ বুকে ধারন করেই বড় হয়েছেন ডাক্তার এম এ মুহিত । ছোট বেলা থেকেই দেখেছেন- চিকিত্সা মানে শুধু রোগ সারানো নয়, মানুষের পাশে দাড়ানো । তাই তিনি যখন নিজেও একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ হলেন, তখন তাঁর চিকিত্সা হয়ে উঠলো নি:স্বার্থ ভালোবাসার প্রকাশ। গরিব-ধনী ভেদাভেদ না করে মানুষের চোখে আলো ফেরানোই হয়ে উঠলো তাঁর জীবনের ব্রত ।
আজ যখন তিনি সিরাজগঞ্জ–৬ (শাহজাদপুর) সংসদীয় আসন থেকে নির্বাচনে লড়ছেন, তখন এটি কোন ক্ষমতার আকাঙ্ক্ষা নয় –এটি দায়িত্বের ডাক। শাহজাদপুরের মানুষ বলছে, “যিনি আমাদের চোখের আলো ফেরাতে পারেন, তিনি আমাদের ভবিষ্যতের পথও দেখাতে পারেন।” এই বিশ্বাসই তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি ।
ডাক্তার এম এ মুহিত রাজনীতিকে দেখেন সেবার বৃহত্তর ক্ষেত্র হিসাবে । তিনি স্বপ্ন দেখেন এমন এক সিরাজগঞ্জ–৬ , যেখানে উন্নত স্বাস্থ্য সেবা মানুষের মৌলিক অধিকার হবে, শিক্ষার আলো পৌছাবে প্রতিটি ঘরে আর তরুণদের সামনে খুলে যাবে কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত । তিনি চান এমন রাজনীতি যেখানে ক্ষমতার চেয়ে মানুষের মুখে হাসি হবে সাফল্যের মাপকাঠি। বাবার রেখে যাওয়া আদর্শ, নিজের দীর্ঘ দিনের মানব সেবা আর জনতার অকুন্ঠ ভালোবাসা– এই তিন শক্তি নিয়েই এগিয়ে চলছেন ডাক্তার এম এ মুহিত । সিরাজগঞ্জ– ৬( শাহজাদপুর) এর মানুষ আজ নতুন করে স্বপ্ন দেখছেন, বিশ্বাস করছেন– এই মানুষটি পারবেন তাদের কথা বলতে, তাদের দু:খ, সুখের অংশীদার হতে ।
চোখের আলো ফেরানো একজন মানুষের হাতে যখন নেতৃত্বের দায়িত্ব ওঠে, তখন সেই নেতৃত্ব শুধু পথ দেখায় না, আশাও জাগায় আর সেই আশার নামই হল ডাক্তার এম এ মুহিত ।


