ঢাকায় সম্প্রতি গোপন বৈঠক করেছেন ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এমন অভিযোগে ভিত্তিতে দলটির ২২ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এছাড়া বৈঠকের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সেনাবাহিনীর এক মেজরকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) ঢাকায় সেনা সদরের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য পাওয়া যায়।
জানা যায়, গত ২৮ জুলাই ঢাকার বসুন্ধরায় একটি কনভেনশন সেন্টারে রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত দলটির ওই গোপন বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। এ অভিযোগের পর ঢাকার ভাটারা থানায় একটি মামলা দায়ের করে পুলিশ। হেফাজতে নেওয়া সেনা- সদস্য হলেন মেজর সাদেকুল হক সাদেক।
মামলার নথিতে থেকে জানা যায়, দিনব্যাপী বৈঠকটিতে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিরা অংশ নেন। গোপন ওই বৈঠকে সেনাবাহিনীর এক মেজর অংশ নিয়ে আওয়ামী লীগ সেতাকর্মীদের “প্রশিক্ষণ দিয়েছেন” বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করার লক্ষ্যেই ওই বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল বলে ঢাকার ভাটারা থানায় দায়ের হওয়া মামলা উল্লেখ করেছে পুলিশ।
এ বিষয়ে সাংবাদিকদেরে প্রশ্নের জবাবে সেনা সদরের মিলিটারি অপারেশনস ডাইরেক্টরেটের কর্নেল স্টাফ কর্নেল মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ওই মেজরের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে তারা অবগত আছেন। “তার বিষয়ে তদন্ত চলমান। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে বলতে পারবো।
সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেওয়া আরেক সেনা কর্মকর্তা মিলিটারি অপারেশনসের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজিম-উদ-দৌলা বলেন, ঘটনাটি জানার পর ওই মেজরকে সেনাবাহিনীর হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। “তদন্ত চলমান আছে। তদন্তে দোষ প্রমাণিত হলে নিঃসন্দেহে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী সেনাবাহিনী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে,।
সুত্রঃ বিবিসি


