নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি
মাহাথির মুহতাসিম: প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় জোনাকি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে অংশ নিয়ে মাহাথির মুহতাসিম ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে। তার বাবা মিজানুর রহমান প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকতার্। মা হাফিজা খাতুন শিক্ষিকা। মাহাথির মুহতাসিম ভবিষ্যতে প্রকৌশলী হতে চায়। প্রত্যাশিত ফলাফলে সে দারুন খুশী। তার আগামী পথ চলায় সে সকলের দোয়া প্রার্থী।
রিফা তামান্না: প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জোনাকি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে রিফা তামান্না ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে। তার বাবা রফিকুল ইসলাম প্রভাষক, মা সুমিয়া খাতুন শিক্ষিকা। ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পাওয়ায় সেও খুব খুশী। রিফা তামান্না ভবিষ্যতে চিকিৎসক হয়ে মানুষের সেবা করতে চায়।
সানজিদা : সানজিদা চৌরাপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে অংশ নিয়ে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে। তার বাবা সেলিম গাড়ী চালক, মা জান্নাতুন বেগম গৃহিনী। সে ভবিষ্যতে চিকিৎসক হতে চায়।
রিদুয়ান: প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় চৌরাপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে অংশ নিয়ে রিদুয়ান ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে। তার বাবা সাজ্জাদ আলী ববসায়ী, মা সোহেলী বেগম গৃহিনী। সে ভবিষ্যতে প্রকৌশলী হতে চায়। রাবেয়া খাতুন: রাবেয়া গাংগোর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে অংশ নিয়ে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে। বাবা রবিউল ইসলাম, মা আরিফা খাতুন গৃহিনী। সে ভবিষ্যতে চিকিৎসক হয়ে মানুষের সেবা করতে চায়।
ইসমাইল হোসেন: প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় গাংগোর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে অংশ নিয়ে ইসমাইল ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে। বাবা আব্দুল মান্নান, মা রেহেনা খাতুন। সে ভবিষ্যতে চিকিৎসক হতে চায়। মাইশা ইসলাম: ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় নিয়ামতপুর মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে অংশ নিয়ে মাইশা ইসলাম ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে। সে ভবিষ্যতে চিকিৎসক হতে চায়। এজন্য সে সকলের নিকট দোয়া প্রার্থী।
প্রত্যাশা মন্ডল: প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে নিয়ামতপুর মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রত্যাশা মন্ডল ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে। এমন ফলাফলে সে দারুন খুশী। ভবিষ্যতে সে চিকিৎসক হতে চায়। ফারহানা নিগার: প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় নিয়ামতপুর মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে অংশ নিয়ে ফারহানা নিগার ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে। প্রত্যাশিত ফলাফলে সেও দারুন খুশী। সে ভবিষ্যতে চিকিৎসক হতে চায়।


