চট্টগ্রাম সংবাদদাতাঃ
টানা প্রতিকূল আবহাওয়া ও সমুদ্র উত্তাল থাকার প্রভাব পড়েছে জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক সরবরাহে। হংকংয়ের পতাকাবাহী জাহাজ ‘কুই চি’ মালয়েশিয়া থেকে ২৬ হাজার মেট্রিক টন অকটেন নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে এসে পৌঁছেছে। নির্ধারিত সময়ের প্রায় ১৫ ঘণ্টা পর আজ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে জাহাজটি বন্দরে নোঙর করে।
জাহাজটির স্থানীয় এজেন্ট ‘প্রাইড শিপিং লাইন’-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বুধবার রাত ৮টার দিকে এটি বন্দরে পৌঁছানোর কথা ছিল। কিন্তু উত্তাল সমুদ্র ও ঝোড়ো হাওয়ার কারণে জাহাজের গতি স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে এটি বহির্নোঙরে অবস্থান করছে এবং আগামী ২ মে জেটিতে তেল খালাসের জন্য সেটিকে বার্থিং দেওয়া হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশে অকটেনের এই সর্বশেষ চালানটি আসার ফলে জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের অবকাশ নেই।এপ্রিল মাসে এ নিয়ে মোট তিনটি বড় চালানে অকটেন এল দেশে। ৮ এপ্রিল ২৬ হাজার টন এবং ১৭ এপ্রিল ২৭ হাজার টন অকটেন এসে পৌঁছেছে।
দেশে প্রতিদিন অকটেনের গড় চাহিদা প্রায় ১ হাজার ২৫০ টন। সেই হিসেবে এপ্রিল মাসে আসা মোট ৭৯ হাজার টন অকটেন দিয়ে আগামী দুই মাসেরও বেশি সময়ের চাহিদা মেটানো সম্ভব।
অকটেনের পাশাপাশি ডিজেলের সরবরাহও স্বাভাবিক রয়েছে। গত মঙ্গলবার ভারত থেকে ‘গ্রান কুভা’ জাহাজে ৩৪ হাজার টন এবং চীন থেকে সিঙ্গাপুরের জাহাজ ‘হাফনিয়া মার্লিন’-এ আরও ১০ হাজার টন ডিজেল বন্দরে এসে পৌঁছেছে।
বৈরী আবহাওয়ার বাধা সত্ত্বেও গত কয়েক দিনে পর্যাপ্ত পরিমাণ ডিজেল ও অকটেন দেশের বন্দরে এসে পৌঁছেছে, যা অভ্যন্তরীণ বাজারের চাহিদা মেটাতে দীর্ঘমেয়াদী নিশ্চয়তা দিচ্ছে।


