ডেস্ক রিপোর্টঃ
নারী উদ্যোক্তাদের সাপোর্ট ও প্রমোট করার উদ্দেশ্যে ‘প্রমোটিং ন্যাশনাল ভল্যান্টিয়ার পলিসি এন্ড গ্লোবাল ভলান্টিয়ার স্টান্ডার্ড’ কর্মসূচি নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে নওগাঁ জেলা শহরে ফুড প্যালেস রেস্টুরেন্টে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে আমন্ত্রিত অতিথিরা ইফতার ও দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন।
দাতা সংস্থা ইউকে ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এর কারিগরি সহযোগিতা ও ভলান্টিয়ার সার্ভিসেস ওভারসিজ (ভিএসও) বাংলাদেশ নওগাঁয় এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মরত নওগাঁর নারী উদ্যোক্তারা অংশগ্রহণ করেন।
মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তর নওগাঁর উপপরিচালক আমেনা খাতুন, বিসিক নওগাঁর উপব্যবস্থাপক শামীম আক্তার মামুন, বিসিক নওগাঁর প্রমোশন কর্মকর্তা ওয়ারেস করুনি, উন্নয়ন সংস্থা রাণীর নির্বাহী পরিচালক ফজলুল হক খান, ন্যাশনাল ইয়ুথ ফোরাম নওগাঁ জেলার সভাপতি আসমা খাতুন, প্রথম আলোর নওগাঁ প্রতিনিধি ওমর ফারুক প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন যুব ফোরামের সভাপতি জাহিদ ইকবাল।
অনুষ্ঠানে অনলাইনে যুক্ত হয়ে ভিএসও বাংলাদেশের কর্ম পরিকল্পনা নিয়ে সেশন পরিচালনা করেন ভিএসও ন্যাশনাল ভলান্টিয়ার মো. আবদুল্লাহ।
উল্লেখ্য, ভিএসও বাংলাদেশ একটি আন্তর্জাতিক অলাভজনক উন্নয়নমূলক দাতব্য সংস্থা। এই সংস্থাটির লক্ষ্য স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে টেকসই পরিবর্তন” ও উদ্দেশ্য সকলের জন্য সমান সুযোগসম্পন্ন পৃথিবী তৈরি”। ভিএসও পৃথিবীব্যাপী গঠনতান্ত্রিক উন্নয়ন ও ইতিবাচক সামাজিক পরিবর্তন সাধনের জন্য সম্প্রদায়ভিত্তিক, জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বেচ্ছাসেবীদের নিয়োজিত করে। ২০১৮–১৯ সালের মধ্যে ভিএসও এশিয়া ও আফ্রিকার ২৩টি দেশে কাজ করেছে।
এই সংগঠনের উদ্দেশ্য ভলান্টিয়ার বা স্বেচ্ছাসেবী তৈরি করা। এই স্বেচ্ছাসেবকগণ তাদের কাজের মাধ্যমে অন্যদের অনুপ্রাণিত (Spark) করেন এবং ইতিবাচক পরিবর্তনের সূচনা করেন। তারা পারস্পরিক সহযোগিতা, বিশ্বাস পুনর্গঠন, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং দুর্বল জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়নে সরাসরি ভূমিকা রাখেন, যা সমাজ ও ব্যক্তিজীবনে নতুন আশার আলো জ্বালিয়ে তোলে
বাংলাদেশে ন্যাশনাল ভলান্টিয়ার পলিসি ২০২৩ এবং আন্তর্জাতিক গ্লোবাল ভলান্টিয়ার স্ট্যান্ডার্ডের সমন্বয় স্বেচ্ছাসেবক কার্যক্রমকে সুশৃঙ্খল, কার্যকর এবং নিরাপদ করতে কাজ করছে।
এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো এসডিজি (SDG) অর্জনে সামাজিক অংশগ্রহণ বাড়ানো, স্থানীয় পর্যায়ে সক্ষমতা তৈরি করা এবং টেকসই উন্নয়নে স্বেচ্ছাসেবকদের কাজের গুণমান নিশ্চিত করা।


